সিএনজিতে ফিড গ্যাসের দাম ৬ টাকা কমানোর দাবি স্টেশন মালিকদের

সিএনজির ফিড গ্যাসের দাম প্রতি ঘনমিটারে ৬ টাকা কমানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন। 

আজ রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) পেট্রোবাংলায় এ সংক্রান্ত আবেদন জমা দেয় সিএনজি মালিকদের এই সংগঠন।

সিএনজি স্টেশনগুলো সরকারের গ্যাস বিতরণ কোম্পানি থেকে যে দামে গ্যাস কেনে, তাকেই ফিড গ্যাসের মূল্য বলা হয়ে থাকে। এতে সরকারের রাজস্ব আদায় কমলেও ভোক্তার গ্যাসের দামের কোনো পরিবর্তন হবে না। অর্থাৎ ভোক্তা এখন যে দামে সিএনজি কিনছে, তা অপরিবর্তিত থাকবে।

আবেদনে বলা হয়, সিএনজি স্টেশন পরিচালন ব্যয়ের বড় অংশই বিদ্যুৎ। গত কয়েক বছরে বিদ্যুতের দাম একাধিকবার বৃদ্ধির সঙ্গে গ্যাস সংকোচন ও সরবরাহের ব্যয়ও বেড়েছে। এর সঙ্গে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, রক্ষণাবেক্ষণ, ব্যাংকঋণের সুদ, লাইসেন্স নবায়ন, ভূমি ও স্থাপনা এবং নিরাপত্তা ব্যয় যুক্ত হয়েছে।

সংগঠনটির দাবি, ফিড গ্যাসের নির্ধারিত মূল্য প্রতি ঘনমিটার ৩৫ টাকা থেকে কমিয়ে ২৯ টাকা করতে হবে। সংগঠনটি দাবি করছে, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ক্যাপটিভ ও চা বাগান এবং লুব্রিফাইং অয়েল শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে তুলনামূলক কম দামে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।

তবে এই সিদ্ধান্তকে অন্তর্বর্তীকালীন সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করছে সংগঠনটি। তারা বলছে, যতদিন না সিএনজি স্টেশনের মার্জিন না বৃদ্ধি করা হয়, ততদিন ফিড গ্যাস তাদের কম মূল্যে দিতে হবে।

সংগঠনটি বলছে, দীর্ঘদিন লোকসান বহন করা সম্ভব না হওয়ায় অনেক স্টেশন বন্ধের ঝুঁকিতে রয়েছে। এতে কর্মসংস্থান ও পরিবহন খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংগঠনটির মহাসচিব ফারহান নূর বলেন, আমরা দীর্ঘদিন থেকে আমাদের মার্জিন বৃদ্ধির কথা বলে আসছি। জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং পেট্রোবাংলা আমাদের দাবিকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করলেও মার্জিন বৃদ্ধির কোনো উদ্যোগ নেয়নি। এজন্য আমরা বলছি, আমাদের কাছে কাল থেকে যে গ্যাসের দাম নেওয়া হয়, তাই কমানো হোক।