ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ, তার স্ত্রী শাহেনা পারভীন সামিয়া ও দুই ব্যাংক কর্মকর্তাসহ চারজনের বিরুদ্ধে পৃথক দুই মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ ছাড়া তার স্ত্রী শাহেনা পারভীন সামিয়ার ৬৫ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সম্পদের নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। গতকাল সোমবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির সচিব মো. সাইদুর রহমান খান মামলার বিষয়টি জানান।
দুদক সচিব জানান, ভুয়া ট্রেড লাইসেন্স ও জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে আসামিরা জাল টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করে দুটি কোম্পানিকে জয়েন্ট ভেঞ্চারে কাজের কথা বলে টেন্ডার সিকিউরিটি বাবদ ৯৫ লাখ ৬১ হাজার টাকার পে-অর্ডার গ্রহণ করে। এরপর ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহায়তায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে ব্যক্তিগত ব্যাংক হিসাব খোলে ওই টাকা আত্মসাৎ করে। চক্রটি দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত ইএমডি ফান্ড থেকে অর্থ প্রথমে ফয়সাল করিম মাসুদের প্রতিষ্ঠান ‘এপল সফট আইটি’র হিসাবে জমা করে। এরপর সেখান থেকে তা স্থানান্তর করে মাসুদের নিজ নামে রাখা এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের হিসাবে নেওয়া হয়। পরে এই অর্থ আসামি মাসুদের স্ত্রী শাহেনা পারভীন সামিয়ার নামে এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের রূপনগর উপশাখায় এফডিআর হিসেবে জমা রাখা হয়। আসামিদের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় একটি মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।