দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনায় নাফ নদীর সীমান্ত সড়ক পোল্ডারসমূহেরব পুনর্বাসনের কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী খননসহ জনকল্যাণে বর্তমান সরকার কাজ করছে। কারিগরি সমীক্ষা ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করে নাফ নদীর ফোল্ডারসমূহের পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে নাফ নদী বরাবর পোল্ডারসমূহের পুনর্বাসন প্রকল্প নিয়ে সুবিধাভোগী ও স্থানীয় জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন ।
উপকূলীয় ও সীমান্ত অঞ্চলের মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ জানিয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যান বলেন, টেকনাফ ও কক্সবাজারের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত সংবেদনশীল। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে এই অঞ্চলকে মুক্ত রাখতে আমরা দীর্ঘমেয়াদী ও টেকসই মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।
কাজের মান নিয়ে কোনো ধরনের আপস বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন, চলমান মেগা প্রকল্পগুলোর কাজ সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে হবে। তবে কাজের প্রতিটি ধাপে স্থানীয় জনগণের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থকে সামনে রেখে সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী খননসহ যেসব সুবিধা জনগণকে দেওয়া প্রয়োজন, সেগুলো বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পের কাজ নতুনভাবে শুরু করা হবে। এ জন্য কিছুটা সময় লাগতে পারে। কারণ কারিগরি সমীক্ষা ও প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই সম্পন্ন করেই পরবর্তী কার্যক্রম নেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, কৃষি, মানুষের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে প্রকল্পটির কাজ করা জরুরি। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা নিয়ে প্রকল্পটি পুনরায় বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য শামীম আরা স্বপ্না, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার জেলা পরিষদের প্রশাসক এটিএম নুরুল বশর ও কক্সবাজার জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মো.আব্দুল্লাহসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।