ডেঙ্গু ও হাম উপসর্গে সাত জনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এবং হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে ডেঙ্গুতে পাঁচজন এবং হামের উপসর্গে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চলতি বছরে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৬৫ হাজার ৪৯৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৯৫ জনের। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৭২ জন। চলতি মাসের ২২ দিনে ২৯ হাজার ৬৫৩ জন ভর্তি হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে ৯৮ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত দুজন রাজশাহীর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন। এ ছাড়া অন্য তিনজন বরিশাল, ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটির হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাদের একজন কিশোরী, একজন নারী ও তিনজন পুরুষ। কিশোরীর বয়স ১৬-২০, নারীর বয়স ৩১-৩৫ বছর। পুরুষ একজনের বয়স ২৬-৩০, দুজনের বয়স ৪১-৪৫ বছর।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে বরিশাল বিভাগে ১৯০ জন, চট্টগ্রামে ২৮৫, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৯১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৫৯, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৯১, খুলনায় ৩১৬, ময়মনসিংহে ১০৫, রাজশাহীতে ১৬২, রংপুরে ৬৭ ও সিলেটে ৬ জন। এই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৪৭৭ জন। 

হামবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মৃত দুজনের একজন ঢাকা ও একজন খুলনায় চিকিৎসাধীন ছিলেন। ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ২৫৭ জন এবং হাম শনাক্ত হয়েছে ৯২ জনের। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ১ হাজার ৬৫ শিশু। এর মধ্যে হামে মৃত্যু হয়েছে ১০১ শিশুর। বাকি ৯৬৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের রোগী পাওয়া গেছে এক লাখ ৮২ হাজার ২৯২ জন। হাম শনাক্ত হয়েছে ২০ হাজার ৩৩৮ জনের। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার ৯৮০ জন। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক লাখ ৫৪ হাজার ৫১০ জন।