এশিয়ান গেমসের মতো বড় মঞ্চে সাধারণত অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্যই যান বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদরা। তবে ক্রিকেট ও কাবাডি এতদিন পদক জিতলেও এবার না খেলেই পদক নিয়ে ফিরছেন উশুকা জিন্নাত আক্তার। বাকি ডিসিপ্লিনে তথৈবচ অবস্থা।
সাইক্লিস্টদের ব্যর্থতা
এশিয়ান গেমসের মতো বড় আসরে খেলতে গিয়ে জ¦রের কারণে রোড রেসে নামতেই পারেননি বাংলাদেশের সাইক্লিস্ট আবদুস সবুর। অন্যদিকে আরেক সাইক্লিস্ট শাহাদাত হোসেন নির্ধারিত সময়ে খেলা শেষ করতে না পারায় আড়াই লেপ দেওয়ার পরই আর প্যাডেল ঘুরাতে দেওয়া হয়নি তাকে।
হারের বৃত্ত পূর্ণ হচ্ছে হকিতে
একের পর এক হারে বৃত্ত পূর্ণ হচ্ছে লাল-সবুজের হকির। মেয়েদের হকিতে এ-পুলের খেলায় বাংলাদেশ ০-৮ গোলে হেরেছে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেননি বাংলাদেশের মেয়েরা।
শুটার আনজিলার হতাশা
শুটিংয়ে সচরাচর যা হওয়ার তাই হয়েছে। মেয়েদের ১০ মিটার এয়ার পিস্তলে লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হয়েছেন বাংলাদেশের তানজিলা আমজাদ। ৫৬২-১৭ এক্স স্কোরে ৫৫ জনের মধ্যে ৩৬তম হয়েছেন তিনি।
কাবাডিতে ছেলেদের হার, জয়ী মেয়েরা
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে ৪৮-২৫ পয়েন্টে হেরেছেন মিজানুর রহমানরা। তবে একই দিনে জয়ের দেখা পেয়েছে লাল-সবুজের মেয়েরা। তারা এ-গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে জাপানকে ৪২-২২ পয়েন্টে হারিয়েছেন।
ভারোত্তোলনে বৃষ্টির সেরা
এশিয়ান গেমস ভারোত্তোলনে ক্যারিয়ার-সেরা স্কোর করেছেন মোসাম্মৎ বৃষ্টি। কিন্তু তারপরও আটজনের মধ্যে অষ্টম হয়েছেন তিনি। ৪৯ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচে ৬৫ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ৮১ কেজিসহ মোট ১৪৬ কেজি তুলেছেন তিনি। মেয়েদের ৫৩ কেজি ওজন শ্রেণিতে মারজিয়া আক্তার ইকরা স্ন্যাচে ৭৪ এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ৯০ কেজিসহ মোট ১৬৪ কেজি তুলে ১২তম হন।
সুইমিংয়েও ব্যর্থতার মিছিল
সুইমিংয়ে সবার পেছনেই ছিলেন লাল-সবুজের সাঁতারুরা। ছেলেদের ১০০ মিটার বাটারফ্লাইয়ের ৪ নম্বর হিটে নেমে মো. ইসলাম ৫৮.২১ সেকেন্ড সময় নিয়ে ১০ জনের মধ্যে দশম হন। মেয়েদের ১০০ মিটার ব্রেস্ট স্ট্রোকের হিটে মুক্তি খাতুন ১ মিনিট ২১.৮৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে আট জনের মধ্যে অষ্টম হয়ে বাদ পড়েছেন।
টেবিল টেনিসেও একই দশা
পুরুষ দলগত, মহিলা দলগত ও মহিলা দ্বৈতের পর এবার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে পুরুষ দ্বৈতেও। এই ইভেন্টে মোহতাসিন আহমেদ হৃদয় ও রামহিম লিয়ন বম সরাসরি ৩-০ সেটে হেরে গেছেন ম্যাকাও চীনের প্রতিযোগীদ্বয়ের কাছে।
লড়েও হারলেন কারাতেকা সায়মা
লড়াই করেও হেরে গেলেন বাংলাদেশের কারাতেকা সায়মা জামান। মেয়েদের ৫০ কেজি কুমির কোয়ার্টার ফাইনালে মালয়েশিয়ার শাহ মালারানি চন্দ্রনের কাছে হারেন তিনি। পরে রিপেচাজ বাউটে একই দেশের ফং মেং ওয়াংয়ের কাছে ৪-০ পয়েন্টে হেরে বিদায় নেন সায়মা।