গাজীপুরের কাশিমপুর থানাধীন চক্রবর্তী এলাকায় ঝালমুড়ি বিক্রেতার ছুরিকাঘাতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মুরাদ হোসেন ও আশরাফ আলী নামে আরও দুজন আহত হয়ে কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি আছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাত ১০টার দিকে।
নিহত যুবকের নাম গাজী রাফেজ আহমেদ (৩৫)। নিহত রাফেজ আহমেদ খুলনা জেলার দাকোপ থানার বাঁশখালী গ্রামের গাজী খোরশেদ আলমের ছেলে। তিনি স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন।
অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতা ৪২ বছর বয়সী আতাউর রহমানকে পুলিশ আটক করেছে। আতাউর রহমান গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ থানার ফলগাছা গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানায়, বুধবার রাতে চক্রবর্তী এলাকায় রাফিজ একটি দোকানে ঝালমুড়ি খাচ্ছিলেন। এ সময় পাশের আরেকটি দোকানের ঝালমুড়ি বিক্রেতার সঙ্গে কয়েকজন পথচারীর বাগ্বিত-া ও চিৎকার চেঁচামেচি করছিলেন। এ সময় রাফিজ সেখানে গিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। কিছু বুঝে ওঠার আগে ঝালমুড়ি বিক্রেতা নিজের কাছে থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে রাফিজের ওপর হামলা চালান। এ সময় উপস্থিত আরও দুজনও রাফিজের ওপর হামলা চালায়। এতে রাফিজের পেটের ডানপাশে গভীর ছুরিকাঘাত লাগলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাফিজের অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেলের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন কাশিমপুর থানার এসআই শফিক আহমেদ জানান, অভিযুক্ত ঝালমুড়ি বিক্রেতাকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তার বিরুদ্ধে এর আগেও একটি হত্যা মামলা রয়েছে।