হোয়াটসঅ্যাপে যুক্ত হচ্ছে তৃতীয় পক্ষের এআই এজেন্ট

হোয়াটসঅ্যাপে অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি এআই এজেন্ট ব্যবহারের সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে মেটা। নতুন সুবিধাটি চালু হলে ব্যবহারকারীরা হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে বিভিন্ন এআই এজেন্ট ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করার পাশাপাশি কাজের তালিকা, বার্তার খসড়া কিংবা প্রতিদিনের কাজের পরিকল্পনাও তৈরি করতে পারবেন।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট ডব্লিউআবেটাইনফোরের তথ্যমতে, হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকেই তৃতীয় পক্ষের তৈরি এআই এজেন্ট ব্যবহার করা যাবে। প্রতিটি এজেন্টের জন্য আলাদা নাম ও প্রোফাইল ছবি নির্ধারণের সুবিধাও থাকবে। এ জন্য হোয়াটসঅ্যাপ এজেন্ট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে একটি এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) ‘কি’ দেবে। ওই কি ব্যবহার করে এআই এজেন্টকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পরিচালিত সেবার সঙ্গে যুক্ত করা যাবে।

তবে এসব এআই এজেন্টের সঙ্গে হওয়া কথোপকথন সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মতো এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের আওতায় থাকবে না। কারণ এজেন্টগুলো পরিচালনা করবে তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠান। হোয়াটসঅ্যাপ মূলত বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। ফলে এসব এজেন্টের সঙ্গে শেয়ার করা তথ্য সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের মতো একই মাত্রার নিরাপত্তা পাবে না।

নতুন সুবিধাটি চালু হলে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস থেকে সর্বোচ্চ পাঁচটি এআই এজেন্ট ব্যবহার করা যাবে। তবে এজেন্টগুলো ব্যবহারকারীর পুরো হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে প্রবেশাধিকার পাবে না। ব্যবহারকারী যে বার্তা বা কনটেন্ট সরাসরি এজেন্টের সঙ্গে শেয়ার করবেন, শুধু সেগুলোই পড়তে পারবে তারা। ফলে ব্যক্তিগত চ্যাট, পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর কিংবা ফোনে সংরক্ষিত ছবি, ভিডিওসহ অন্যান্য মিডিয়া ফাইল দেখার সুযোগ থাকবে না এআই এজেন্টগুলোর। হোয়াটসঅ্যাপ বর্তমানে

প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত কয়েকটি দেশের সীমিতসংখ্যক বেটা সংস্করণ ব্যবহারকারীর ওপর সুবিধাটির কার্যকারিতা পরীক্ষা করছে। পরীক্ষামূলক পর্যায়ের ফলাফলের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধাটি উন্মুক্ত করা হতে পারে।