এক যুগ পর টি-টোয়েন্টিতে দেখায় আফগানিস্তানকে আবার হারালো নেপাল। এশিয়ান গেমসে জাপানের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার চতুর্থ ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং- ব্যাটিংয়ে আফগানদের ৫ উইকেটে হারিয়েছে হিমালয়ের দেশটি। ২০১৪ তে চট্টগ্রামে প্রথম দেখাতেও আফগানদের হারিয়েছিল নেপাল।
টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। তবে শুরু থেকেই নেপালের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে তারা সুবিধা করতে পারেনি। ওপেনার মোহাম্মদ আকরাম ৮ বলে মাত্র ২ রান করে এবং হাসান ঈসাখিল কোনো রান না করেই প্যাভিলিয়নে ফেরেন। করিম জানাতও ৯ বলে ৯ রানের বেশি করতে পারেননি।
মাঝের দিকে ফয়সাল শিনোওয়াদা (৩৩ বলে ৩০ রান) এবং নাজিবুল্লাহ জাদরান (৪০ বলে ৩০ রান) ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন। তবে রানের গতি ছিল বেশ ধীরগতি। শেষদিকে নানগেয়ালিয়া খারোট ১৫ বলে ১৭ রানের ছোট্ট একটি ইনিংস খেললে আফগানিস্তান নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০২ রান তুলতে সক্ষম হয়।
নেপালের হয়ে বল হাতে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন কুশল ভুর্তেল। তিনি ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ৪টি উইকেট শিকার করেন। এছাড়া ললিত রাজবংশী ৪ ওভারে মাত্র ১৩ রান খরচ করে তুলে নেন ৩টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
১০৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে নেপালের শুরুটাও খুব একটা ভালো হয়নি। ওপেনার কুশল খাতা না খুলেই বিদায় নেন এবং আসিফ শেখ আউট হন মাত্র ২ রানে। তবে এরপর সন্দীপ জোরা এবং অধিনায়ক রোহিত কুমার পৌডেল ম্যাচের হাল ধরেন।
সন্দীপ জোরা ৩৫ বলে ৩৪ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন (৩টি চার ও ১টি ছক্কা) এবং রোহিত পৌডেল ৩২ বলে ৩৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান। শেষদিকে দিপেন্দ্র সিং আইরি ১৮ বলে ১৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। ফলে ১৬ বল হাতে থাকতেই ১৭.২ ওভারে ৫ উইকেটে ১০৩ রান তুলে জয় নিশ্চিত করে নেপাল। আফগানিস্তানের হয়ে ফরিদুন দাউদজাই, আবদুল্লাহ আহমাদজাই ও আরব গুল একটি করে উইকেট নেন।