সাতকানিয়া-লোহাগাড়ায় নদী-খাল ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: শাহজাহান চৌধুরী এমপি

সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার বিভিন্ন নদী ও খালের ভাঙন রোধে চলমান প্রকল্পগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি আগামীতে আরও নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সাতকানিয়া-লোহাগাড়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘টঙ্কাবতী খালসহ সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার বিভিন্ন নদী ও খালের ভাঙন রোধে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যেসব এলাকায় নদী ও খালের ভাঙনে মানুষের বসতবাড়ি, কৃষিজমি, রাস্তাঘাট ও অন্যান্য স্থাপনা হুমকির মুখে রয়েছে, সেসব এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আগামীতে আরও নতুন নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে, যাতে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার মানুষ নদী ও খালের ভাঙন থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষা পায়।’

রোববার বিকেলে লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের নাফার টিলা মাঝের পাড়া এলাকায় টঙ্কাবতী খালের ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শাহজাহান চৌধুরী বলেন, নদী ও খালের ভাঙন প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে স্থানীয় মানুষের জন্য বড় ধরনের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে। অনেক পরিবার বসতভিটা হারানোর আশঙ্কায় থাকে। কৃষিজমি, সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙনের কবলে পড়লে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। তাই ভাঙন রোধে শুধু তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, টঙ্কাবতী খালের ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ভাঙনপ্রবণ এলাকাগুলো পরিদর্শন করে বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন, সাতকানিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জসিম উদ্দিন, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম তালুকদার,লোহাগাড়া উপজেলার প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ বিন মুনির,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামসহ পানি উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

স্থানীয়রা এ সময় টঙ্কাবতী খালের ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। তারা বলেন, ভাঙন অব্যাহত থাকলে এলাকার বসতবাড়ি, কৃষিজমি ও যোগাযোগব্যবস্থা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।