জাসদ কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জন কারাগারে

নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কর্মী সন্দেহে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয় থেকে আটক ২৭ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ বরিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার এসআই নাজমুল ইসলাম তাঁদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। তাঁর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আসামিপক্ষে জামিনের আবেদন করা হলে সোমবার জামিন শুনানির দিন ধার্য করে তাঁদের কারাগারে পাঠান আদালত।

কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, আসামিরা বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ভেতরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে অস্থিতিশীল ও বিশৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করেন। পল্টন মডেল থানা পুলিশ ও স্থানীয় উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতায় শনিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটের দিকে তাঁদের আটক করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে ঘটনাস্থলে আসার বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

আসামিরা কোনো ধর্তব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন মর্মে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। এজন্য তাঁদের আপাতত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা অনুযায়ী আটক করে সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে কারাগারে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন—দিদারুল আলম তুহিন, ইমান আহমেদ ইমন, মোল্লা মো. শাহজাহান সিরাজ, জয় সরকার, মিরাজ আহমেদ, মিরাজ মালিথা, রবিউল ইসলাম, মিলন কুমার মহন্ত, কাউসার হোসেন, শ্রী অঞ্জন শীল, জালাল উদ্দিন মণ্ডল, আব্দুল লতিফ, শামীম আহমেদ, আহম্মেদ আহসান হাবিব, সুজন আলী, তসিকুল ইসলাম, সাইফুল্লাহ সায়েক, নয়ন আলী, সাজিদুল ইসলাম তুহিন, তাজুল ইসলাম, নিষ্কর সম্রাট হোসেন তালুকদার, আনোয়ার হোসেন, আলমগীর হোসেন, আল আমিন হাওলাদার, তুষার আলী, রাসিদুল হক ও মীর মুক্তিসুর রহমান।

গত শনিবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকার গুলিস্তানে জাসদের প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩০০ জনকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তী সময়ে যাচাই-বাছাই করে অনেককে ছেড়ে দিয়ে এই ২৭ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠায় পুলিশ।