মুন্সীগঞ্জে টিএমএসএস কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখানে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ঠেঙ্গামারা মহিলা সবুজ সংঘের (টিএমএসএস) ফিল্ড অফিসার মো. একরামুল হকের (৪৩) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব দানিয়াপাড়া গ্রামের দৌলত ব্যাপারীর পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় টিএমএসএসের ভাড়া করা আবাসিক কক্ষ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত একরামুল হক কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার গ্রামের মো. আছের উদ্দিনের ছেলে। তিনি সিরাজদীখান উপজেলার টিএমএসএস শাখায় ফিল্ড অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন। তাঁর পরিবার স্থায়ী ঠিকানায় বসবাস করেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানায়, রবিবার দিবাগত রাত ১২ টা থেকে সোমবার সকাল ৭ টার মধ্যে যেকোনো সময় একরামুল তাঁর আবাসিক কক্ষের দরজা বন্ধ করে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় রশি দিয়ে ফাঁশ নেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। প্রতিদিনের মতো রবিবার অফিসের কার্যক্রম শেষে তিনি ভবনটির নিচতলায় টিএমএসএসের আবাসিক কক্ষে অবস্থান করছিলেন।

সোমবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে একই অফিসের হিসাবরক্ষক মো. জাহিদুল ইসলাম কক্ষের জানালা দিয়ে একরামুলকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তিনি থানায় খবর দেন। সংবাদ পেয়ে সিরাজদীখান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের সহযোগিতায় কক্ষের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। এ সময় মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়।

মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে বন্ধ কক্ষের দরজা খুলে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।

সিরাজদীখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।