কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে সৎবাবার ফাঁসির আদেশ

তিন বছর আগে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় সপ্তম শ্রেণি পড়–য়া কিশোরীকে ধর্ষণ এবং এর ফলে ভুক্তভোগীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার মামলায় তার সৎবাবাকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সাজাপ্রাপ্ত জামাল হোসেন নামের এ আসামিকে ৫ লাখ টাকা অর্থদ- দেওয়া হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় দেন। অর্থদ-ের টাকা পরিশোধ না করলে তা আদায়ে দ-িতের স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে ওই অর্থ ভুক্তভোগীকে বা তার আইনগত উত্তরাধিকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরিশোধ করতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এদিন সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি জামাল হোসেনকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল।

রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, ‘৫৬ বছর বয়সি জামাল হোসেন ১৩ বছরের কিশোরীকে পাশবিক নির্যাতন করে ঘৃণ্য অপরাধ করেছেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আদালত তার কর্তব্য পালনে ব্যর্থ হবে, যদি এই অপরাধের জন্য যথোপযুক্ত শাস্তি প্রদান করা না হয়।’ মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ওই কিশোরী তার মা ও সৎবাবার সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় থেকে সপ্তম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছিল। মা না থাকার সুযোগে ২০২৩ সালের ২৮ আগস্ট জামাল হোসেন ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। পরে আরও কয়েকবার ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী। একপর্যায়ে ওই কিশোরী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে এবং সন্তান জন্ম দেয়। এ ঘটনায় কিশোরীর মা জামাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে কামরাঙ্গীরচর থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।