জামায়াত জনগণকে  বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে: রাশেদ খান

রাষ্ট্রীয় সংকটকে পুঁজি করে জামায়াতে ইসলামী জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান।

তিনি বলেছেন, বর্তমানে জ্বালানি সংকট শুধু একটি জাতীয় সংকট নয়, এটা আন্তর্জাতিক সংকটও বটে। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ না হলে বাংলাদেশে হয়ত এভাবে এই সংকট মোকাবেলা করতে হতোনা। অথচ, এই সংকটকে পুঁজি করে তারা লংমার্চ কর্মসূচী পালন করছে। 

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে তিনি একথা বলেন। 
তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে এক ধরণের স্বপ্ন তৈরি হয়েছে। ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্নে তারা নিজেরাই বিভ্রান্ত হচ্ছে। অথচ সরকার পরিচালনায় তাদের কতটুকু সক্ষমতা রয়েছে সেটা জাতীয় সংসদে তাদের এমপিদের পারফর্মেন্স দেখলে বুঝা যায়। জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী যখন জাতির স্বপ্ন পূরণে একাতবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানান, সেখানে জামায়াত এবং এনসিপির শুভ বুদ্ধির উদয় হচ্ছেনা। 

রাশেদ খান বলেন, গণমাধ্যমে নানা নেতিবাচক সংবাদ আসার কারণে বিএনপির সংরক্ষিত একজন নারী এমপিকে পদত্যাগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে তার দল পদত্যাগ করতে বাধ্য করতে পারেননি। তার ব্যাপারে জামায়াতে ইসলামী স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে লোক দেখানো চিঠি দিয়েছে। 
গাজী নজরুল যদি পদত্যাগ করতো তাহলে শিশু মরিয়মকে হয়তো এই পৃথিবী থেকে চলে যেতে হতোনা। 

রাষ্ট্র পুনর্গঠনে একসঙ্গে কাজ করার জন্য বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান বলেন, সকলের উচিত একসাথে রাষ্ট্রের পুনর্গঠনে কাজ করা। এবার যদি রাষ্ট্র পুনর্গঠন না হয় ভবিষ্যতে আর কখনো হবেনা। যেভাবে আমরা গণঅভ্যুত্থানে হাতে হাত রেখে আন্দোলন করেছি এখন সময় এসেছে একইভাবে একতাবদ্ধ হয়ে কাজ করে রাস্ট্রের পুনর্গঠন করার। 

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবুর রহমান শামীম।

এর আগে দুপুরে রাশেদ খান ফটিকছড়িতে অবস্থিত আল জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাত করেন।