৯ জেলেকে পুলিশে দিল ভুক্তভোগীরা

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে দস্যুতার অভিযোগে ৯ জেলেকে ধরে নৌপুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন ভুক্তভোগী জেলেরা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের সোনারচরের বড় খাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রায় ১৫ দিন আগে মাছ ধরার সময় তাদের ট্রলারে হামলা চালিয়ে মারধর করা হয়। এ সময় জাল, মাছ, তেল, মোটর, লাইট ও মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ৯ জেলেকে ধরে চরমোন্তাজ লঞ্চঘাটে নিয়ে নৌপুলিশের কাছে সোপর্দ করেন ভুক্তভোগী জেলেরা। পরে রাতে আটক ব্যক্তিদের রাঙ্গাবালী থানায় নেওয়া হয়। আটক জেলেদের ট্রলারে অবৈধ জাল পাওয়ায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ আন নূর যায়েদ।

আটক ৯ জেলে চরফ্যাশন উপজেলার দুলারহাট থানার আহমেদপুর ইউনিয়নের ফরিদাবাদ গ্রামের রাসেল মাঝির মালিকানাধীন একটি ট্রলারের জেলে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে, দস্যুতার শিকার হওয়া ট্রলারটির মালিক দশমিনা উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নের দক্ষিণ রণগোপালদীর আবু তালেব গাজীর। তার দাবি, প্রায় ১৫ দিন আগে সোনারচরের দক্ষিণে মাছ ধরার সময় রূপারচরের দিক থেকে একটি ট্রলার এসে তাদের থামার সংকেত দেয়। পরে ট্রলারটি তাদের গতিরোধ করে। এ সময় মারধর করে তেল, দুই ককসিট মাছ, প্রায় সাড়ে ৪০০ ফুট জাল, মোটর, লাইট ও মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি।

রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ আন নূর যায়েদ বলেন, আটক জেলেদের ট্রলারে অবৈধ জাল পাওয়ায় মৎস্য সংরক্ষণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অন্যদিকে ১০ থেকে ১৫ দিন আগের ঘটনার বিষয়েও ভুক্তভোগীরা চাইলে মামলা করতে পারেন।