অতিরিক্ত অলিভ অয়েল খাবেন না

অনেকেই রান্নায় অলিভ অয়েল ব্যবহার করেন। শুধু ওজন কমানোর জন্য নয়, বরং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্যই এর কদর রয়েছে। মেনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই তেল ঘি-মাখনের দারুণ বিকল্প। হার্টের জন্যও ভীষণ উপকারী। অলিভ অয়েলে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রচুর ক্যালোরি রয়েছে। এক টেবিল চামচ অলিভ অয়েলে প্রায় ১২০ ক্যালোরি থাকে। তাই পরিমাণের দিকে নজর না রাখলে, এই স্বাস্থ্যকর তেলও আপনার স্বাস্থ্যের শত্রু হয়ে উঠতে পারে। মাত্রাতিরিক্ত অলিভ অয়েল খেলে পরিপাকতন্ত্রেরও ওপর প্রভাব পড়ে। পেট ফাঁপা, ডায়রিয়া বা বমি বমি ভাবের মতো উপসর্গ দেখা দেয়।

যাদের ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম (ওইঝ), গলব্লাডারের সমস্যা রয়েছে বা যারা ঘন ঘন ডায়রিয়ায় ভোগেন, তাদের বেশি সতর্ক হওয়া উচিত। ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ খান যারা, তাদেরও সতর্ক থাকা দরকার। ডায়েটে কোনো বড় পরিবর্তন আনতে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে ১-২ টেবিল চামচ (১৫-৩০ মিলি) এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল খেতে পারেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, অলিভ অয়েল মাখন, ঘি, সাদা তেল এবং অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর ফ্যাটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা উচিত। সালাদ ও শাকসবজির ওপরও অলিভ অয়েল ছড়িয়েও খাওয়া যায়।