আবাহনীর বড় জয়, পয়েন্ট খোয়াল ফর্টিজ

বিরতির পর শুরু হওয়া বাংলাদেশ ফুটবল লিগে মাঠে নেমেই দারুণ জয় তুলে নিয়েছে আবাহনী লিমিটেড। চাঁদপুর স্টেডিয়ামে ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে মারুফুল হকের দল। আবাহনীর জয়ে বড় অবদান রেখেছেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি ওকাচি ও ২০১৪ বিশ্বকাপে খেলা মাইকেল বাবাতুন্দে।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল আবাহনী। ম্যাচের চতুর্থ মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। পাকিস্তানি মিডফিল্ডার মঈন দারুণ প্লেসিং শটে বল জালে পাঠান ওকাচি। দুই মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণও করে আবাহনী। এবার গোলের নায়ক মঈন নিজেই। ডান প্রান্ত থেকে সতীর্থ ইফতিয়ার হোসেনের নিখুঁত ফ্রি-কিকে লাফিয়ে উঠে দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়ান পাকিস্তানি এই মিডফিল্ডার।

শুরুতেই ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও দ্রুত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় ঢাকা ওয়ান্ডারার্স। ব্যবধান  ২-১ করে তারা। ৩৩ মিনিটে অবশ্য নিজেদের ভুলেই আবার পিছিয়ে পড়ে ওয়ান্ডারার্স। ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢোকার সময় বাবাতুন্দেকে ফাউল করেন ডিফেন্ডার তানভীরুল ইসলাম। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিক থেকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে নিজের প্রথম গোলটি করেন ২০১৪ বিশ্বকাপে নাইজেরিয়ার হয়ে খেলা বাবাতুন্দে। গোলরক্ষক মহিউদ্দিন বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে বলে হাত ছোঁয়ালেও গতির কাছে পরাস্ত হন। ৩-১ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আবাহনী।

৭১ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন আবাহনীর আল আমীন। তবে ৭৬ মিনিটে আর ভুল করেননি ওকাচি। সতীর্থ আফোলাবির উঁচু করে বাড়ানো বল দারুণ দক্ষতায় বুকে নামিয়ে নেন তিনি। এরপর আগুয়ান গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড। আবাহনীর লিড বেড়ে হয় ৪-১।

ম্যাচের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে শেষ গোলটি করেন আল আমীন। বক্সের সামনে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যবধান ৫-১ করেন তিনি। শেষ পর্যন্ত বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে আবাহনী। দিনের আরেক ম্যাচে কিংস অ্যারেনায় ঢাকা সিটি ক্লাবের সঙ্গে ৩-৩ গোলে ড্র করেছে ফর্টিজ।