নজরে সহস্রাধিক নেতা

চাঁদাবাজি, দখল, ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার নিয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক বা প্রভাবশালীদের সম্পৃক্ততা উঠে এসেছে। পুলিশের সবকটি ইউনিট ও গোয়েন্দা প্রতিবেদনে রাজনৈতিক নেতাকর্মীর নাম থাকার তথ্য রয়েছে। তাদের সংখ্যা অন্তত সহস্রাধিক। তাদের সহায়তা করছেন একাধিক সংসদ সদস্য। সংশ্লিষ্ট এমপিদের কর্মকান্ডও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।

ক্ষমতায় আসার প্রথম সাত মাসে নানা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে নিজেদের আলাদা ভাবমূর্তি তৈরির চেষ্টা করছে বিএনপি সরকার। কিন্তু দলের কতিপয় নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলদারি, সন্ত্রাস ও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ সরকারের জন্য নতুন রাজনৈতিক চাপ তৈরি করেছে। রাজধানী থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত এসব অভিযোগের খবর প্রকাশ পাওয়ায় একদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন। আবার ক্ষমতাসীন দলের মাঠপর্যায়ের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও বাড়ছে আলোচনা-সমালোচনা। দলীয় নেতাকর্মীদের জড়িত থাকার ঘটনায় বিব্রত নীতিনির্ধারকরা। এসব ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় অপরাধীদের ধরতে পুলিশের সবকটি ইউনিটকে বিশেষ নির্দেশ দিয়েছে হাইকমান্ড। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিষয়েও কঠোর নজরদারি করতে বলা হয়েছে। রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ঘটনায় হার্ডলাইনে গেছে সরকার।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বহিষ্কারের পাশাপাশি ঢাকা মহানগরী উত্তর বিএনপির কমিটি বিলুপ্তিসহ যুবদল ও ছাত্রদলের দুটি কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদেরও বহিষ্কার করা হয়েছে। এটিকে সংগঠনে শৃঙ্খলা ফেরানোর অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, অপরাধীরা যতই প্রভাবশালী কিংবা যে দলেরই হোক না কেন, আমরা কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। তাদের পালানোর পথ ইতিমধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নগরবাসীর নিরাপত্তায় চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।

সুযোগ বুঝে মারছে কোপ : পুলিশ সূত্র জানায়, সম্প্রতি পুলিশের একটি বিশেষ ইউনিটের প্রতিবেদনে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের বিভিন্ন স্থানে চাঁদাবাজি ও দখলের ঘটনা ব্যাপকহারে ঘটে। মামলার নামে দেদার হয় চাঁদাবাজি। দেশের অপরাধের ধরনের পরিবর্তন এসেছে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে মব সহিংসতা তুঙ্গে থাকলেও বর্তমানে চাঁদাবাজি, দখলদারত্ব, রাজনৈতিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও হত্যাকান্ড বেড়েছে। নির্বাচিত সরকারের অধীনে আইনশৃঙ্খলা ও মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নতির যে প্রত্যাশা ছিল, তা এখনো পূরণ হয়নি। তাদের মতে, জনসমর্থন ধরে রাখতে সরকারকে আইনশৃঙ্খলার উন্নতি, মানবাধিকার সুরক্ষা, ক্ষমতাসীন দলের শৃঙ্খলা নিশ্চিত এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিচার বিভাগ ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যকর সংস্কার বাস্তবায়নে জোর দেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় মানুষ আতঙ্কে আছে। ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বেড়েছে ব্যাপক। চাঁদাবাজির ঘটনাতো আছেই। শহরাঞ্চলের পাশপাশি গ্রামাঞ্চলেও বেড়ে গেছে অপরাধের মাত্রা। তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে বড় ধরনের সহিংসতা হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দখল নিয়ে ছাত্রসংগঠনগুলোও জড়িয়ে পড়ছে হানাহানিতে। নানা কৌশল নিয়েও নিয়ন্ত্রণে আনতে পারছে না কিশোর গ্যাংদের তৎপরতা। রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ওরা দিনে দিনে বেপরোয়া হয়ে উঠছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সুন্দর একটি দেশ উপহার দিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। অথচ দলের কতিপয় নেতাকর্মী কর্মকান্ডে তা ম্লান হচ্ছে।

শীর্ষ সন্ত্রাসীরাও সক্রিয় : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, হত্যাকাণ্ডগুলো শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সক্রিয়তার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাদের সহযোগীরাও সক্রিয়  হয়ে  উঠেছে। তা ছাড়া সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালান আসছে। সরকার পরিবর্তনের পর আব্বাস আলী ওরফে কিলার আব্বাস, সুইডেন আসলাম, ইমামুল হাসান হেলাল ওরফে পিচ্চি হেলাল, সানজিদুল ইসলাম ইমন, খন্দকার নাঈম ওরফে টিটন এবং খোরশেদ আলম ওরফে ফ্রিডম রাসুসহ বেশ কয়েকজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী কারাগার থেকে মুক্তি পান। মোল্লা মাসুদ ও টোকাই সাগরের মতো বেশ কয়েকজন বিদেশ থেকে ফিরেই নিজ নিজ এলাকা পুনর্দখল ও চাঁদাবাজি শুরু করে। এ নিয়ে স্থানীয় ক্যাডারদের সঙ্গে সংঘাত হচ্ছে। তার মধ্যে মোল্লা মাসুদ ও সুব্রত বাইন সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েছে। বর্তমানে তারা কারাগারে আটক থাকলেও এলাকার নিয়ন্ত্রণ আছে তাদের ইশারায়। মিরপুর-১০, ১৩, ১৪, ইব্রাহিমপুর, কচুক্ষেত ও ভাসানটেকসহ আশপাশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী কিলার আব্বাস ও ইব্রাহিম। তারা ঠিকাদারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করছে। তাদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তবে ওইসব নেতাকর্মী আওয়ামী লীগের আমলেও তৎপর ছিলেন। ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আঁতাত করে চলে তাদের অপকর্ম। তাদের দায়ও পড়ছে সরকারের ঘাড়ে।

প্রধানমন্ত্রীর কঠোর বার্তায় কিছুটা স্বস্তি : পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সময়োপযোগী ও কঠোর বার্তার পর জননিরাপত্তায় কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরছে। রাজনৈতিক কারণে অপরাধীদের আর প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। এতে রাজনৈতিক প্রভাব তোয়াক্কা না করে অপরাধীদের ধরা সহজ হবে। অপরাধী যেই হোক এবং যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড মডেল থানার প্রধান ফটকের সামনে গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে এক পুলিশ সদস্যকে মারধরের ঘটনায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের সহসভাপতি ইসমাইল হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

নজর রাজনৈতিক নেতাদের দিকে : পুলিশ সূত্র জানায়, সরকারের নির্দেশনা পেয়ে পুলিশের সবকটি ইউনিট তালিকার কাজ শুরু করে। এতে সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাদের নামও এসেছে। ওইসব রাজনৈতিক নেতা দখল ও চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্ম চালাচ্ছে। অন্তত সহস্রাধিক নেতাকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ওইসব নেতার কারণে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে। এতে একাধিক সংসদ সদস্যের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাদের কর্মকান্ডও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিভিন্ন থানা এলাকায় সক্রিয় চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ও অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাঁদাবাজ, উদীয়মান সন্ত্রাসীদের তালিকার পাশাপাশি পুরনো শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অপতৎপরতার ওপর নজরদারি শুরু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের সন্ত্রাসী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকরা গণঅভ্যুত্থানের পর বেশিরভাগই আত্মগোপনে চলে যায়। তাদের শূন্যস্থান দখলে নেয় নতুন মুখের সন্ত্রাসী। তারা খুনোখুনি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও মাদক-বাণিজ্যে হাত পাকাতে শুরু করেছে। পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীদের অধিকাংশই এখন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে অপরাধ কর্মকান্ডে নতুন মুখের সন্ত্রাসীদের দলে ভেড়াচ্ছে।

কয়েকদিন আগে একটি অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, বিএনপির নাম ব্যবহার করে কেউ চাঁদাবাজি, দখলবাজি, সন্ত্রাস বা অন্য কোনো অপকর্মে জড়ালে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো অপরাধীকে বিএনপির কর্মী হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।

দলীয়ভাবেও হচ্ছে তালিকা : সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান নেতাকর্মীদের কঠোর বার্তা দিয়েছেন, অপরাধী যত বড় নেতাই হোক না কেন তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত তাদের তালিকা করা হচ্ছে। অপরাধ প্রমাণিত হলেই সাংগঠনিক ব্যবস্থাসহ বহিষ্কার করা হবে। অন্যদিকে রাড্ডার ঘটনায় তিন সংগঠনের কমিটি বিলুপ্ত ও নেতাদের বহিষ্কারের ঘটনা ঘিরে নানা আলোচনা চলছে সংগঠনগুলোর ভেতরে। এটা সংগঠনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা, নেতৃত্বের জবাবদিহি এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন করে বিভিন্ন প্রশ্ন সামনে আসছে। এর মধ্যে এমপি মিষ্টির পদত্যাগের ঘটনায় ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে।

কোনো অপরাধীকে ছাড় না দেওয়ার নির্দেশ : সার্বিক বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের উপমহাপরিদর্শক পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করতে বেশ কিছু নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। এলাকায় পুলিশের টহল বৃদ্ধি করতে বলা হয়েছে। দাগি সন্ত্রাসীসহ অন্য অপরাধীদের ধরতে বিশেষ অভিযানও চালানো হবে। প্রয়োজনে ঝুঁকির্পর্ণ এলাকায় ব্লকরেইড দিয়ে অপরাধীদের নির্মূল করা হবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। এমনকি পুলিশের কোনো কর্মকর্তার গাফিলতি মিললে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে। সরকার আমাদের সব ধরনের সহায়তা করছে।   

জেলায় জেলায় নজরদারি বৃদ্ধি : চাঁদাবাজি ও দখলসহ বিভিন্ন অপরাধ বেড়ে যাওয়ায় জেলায় জেলায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে বাড়তি তল্লাশিচৌকি। সাদা পোশাকের গোয়েন্দা তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা অপকর্মে  জড়িত থাকলেও তাদের আইনর আওতায় আনতে বলা হয়েছে। ঢাকার মিরপুর রাড্ডাকাণ্ডের হোতাদের অনেকে এখনো আছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। হামলা ও লুটপাটের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৪ জনকে বিএনপি বহিষ্কার করলেও তাদের এক সপ্তাহেও ধরতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে শনাক্তের দাবি করছে পুলিশ। এদের মধ্যে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভির ফুটেজ ও মোবাইল ফোনসংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে নিচ্ছে ব্যবস্থা।

চাঁদাবাজদের পেছনের লোকদের চিহ্নিত : আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক উদ্বেগের মধ্যে পুলিশের কাছে থাকা পুরনো তথ্যও নতুন করে যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি কিংবা অপরাধীদের বিষয়ে পুলিশ নিয়মিত তালিকা হালনাগাদ করেছে। ফলে শুধু মাঠপর্যায়ের চাঁদাবাজদের পেছনে কারা রয়েছে, কারা অর্থ সংগ্রহে সহায়তা করছে এবং কার রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক প্রভাব কাজে লাগানো হচ্ছে এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় নিয়ে এসেছে। 

চাঁদাবাজি, দখল ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা চাঁদাবাজ, দখলদার ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তার ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ইতিমধ্যে কড়া নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, অপরাধী যেই হোক না কেন, তার রাজনৈতিক বা সামাজিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে আইনের আওতায় আনতে হবে।