মিরসরাই আসনের সংসদ সদস্য নুরুল আমিন বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতে বিগত অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বাজেট রেখেছে। মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর সরকার।
তিনি বলেন, অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় ভদ্র, শিক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য মানুষগুলো বিভিন্ন বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে আছেন। এর পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে তথ্য প্রযুক্তির আওতায় আনা গেলে ব্যবস্থাপনা ও শিখন-পড়ন আরও সহজতর হবে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) মিরসরাই উপজেলা অডিটোরিয়ামে শিক্ষকদের সঙ্গে তথ্য প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও মনিটরিং সিস্টেম বিষয়ক মতবিনিময় সভায় এমপি নুরুল আমিন এসব কথা বলেন।
মিরসরাইয়ে এখন অনেক অনগ্রসর অঞ্চল উল্লেখ করে নুরুল আমিন বলেন, অনেক অভিভাবক এখনো তাদের ছেলেমেয়ের পড়াশোনা নিয়ে সচেতন না। প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা সিস্টেম চালুর পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন করাও জরুরি। এছাড়াও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ ও আইটি হাব করার ব্যাপারে সরকারের যথেষ্ট চেষ্টা রয়েছে। শিক্ষকদেরও পাঠদানে আরও মনোযাগী হওয়া জরুরি।
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওয়েক্সনিক্সের আয়োজনে মতবিনিময় সভার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন মো. সাইফুর রহমান ও মো,মোফাজ্জেল হোসেন রাজিব।
এছাড়া মিরসরাই উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফেরদৌস হোসেনের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. কামরুল হোসেন, আবুতোরাব ফাজিল (স্নাতক) মাদরাসার গভর্নিং বডির সভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নেছারুল করিম, বামন সুন্দর ফকির আহমেদ উচ্চ বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি শরফু উদ্দিন, আবুতোরাব উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মর্জিনা আক্তার, সুফিয়া নুরিয়া ফাজিল মাদরাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল হক সিরাজী।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজাম উদ্দিন, সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সালাউদ্দিন সেলিম, সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দিন, বেসরকারি কারা পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম তৌহিদ, বারইয়ারহাট পৌর বিএনপির সভাপতি মাঈন উদ্দিন লিটন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক শওকত আকবর সোহাগসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, মাদরাসার অধ্যক্ষ, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এডহক কমিটির সভাপতি ও আইসিটি শিক্ষকরা।