খাগড়াছড়িতে বেকার যুবকদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান খাগড়াছড়ি যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। গুরুত্বপূর্ণ এই প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষকের অভাবে গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডগুলো বন্ধ রয়েছে। বিশেষ করে বেকার যুবকদের জন্য ইলেক্টট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়ারিং, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন ট্রেডগুলোতে নেই প্রশিক্ষক।
এছাড়াও অন্যান্য ট্রেডগুলোতেও নেই প্রশিক্ষক। গুরুত্বপূর্ণ এই ট্রেড গুলোতে দ্রুত প্রশিক্ষক দেয়ার দাবি করেছেন যুবকরা। বেকার যুবকরা এ ট্রেড গুলোতে প্রশিক্ষণ নিয়ে দ্রুত ও সহজে অর্থ উপার্জন করে আত্মকর্মী হতে পারেন। সেই গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডগুলো হলো ইলেক্টট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়ারিং, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন।
বিশেষ করে ইলেক্টট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়ারিং এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ, এই ট্রেডে প্রশিক্ষণ নিয়ে একটি প্লাস ও একটি টেষ্টার নিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন একজন যুবক। গুরুত্বপূর্ণ এই ট্রেডগুলোকে দীর্ঘ ব্ছর যাবৎ নেই প্রশিক্ষক ও সহাকারী প্রশিক্ষক। ফলে বন্ধ রয়েছে এই ট্রেডগুলো। শুধু এই ট্রেডে নয় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেড ইলেক্ট্রনিক্সও আছেন মাত্র একজন প্রশিক্ষক, সহকারী প্রশিক্ষকের পদটি দীর্ঘদিন যাবৎ খালি। এছাড়া মৎস্য চাষ ট্রেডে প্রশিক্ষক না থাকা এটিও এক বছর যাবৎ বন্ধ। নারীদের সেলাই প্রশিক্ষণও চলছে একজন প্রশিক্ষক দিয়ে। নানা সংকটে খাগড়াছড়ি যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। প্রশিক্ষক না থাকার কারণে নষ্ট হচ্ছে প্রশিক্ষণের জন্য আনা ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী।
খাগড়াছড়ির যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গবাদি পশু ও হাস মুরগি পালন ও অন্যান্য ট্রেডে প্রশিক্ষণ নিতে আসা কামরুল হাসান, সালমান কাশি সোহেল, পাভেল ত্রিপুরা ও অর্জয় ত্রিপুরা বলেন জন গুরুত্বপূর্ণ ট্রেড ইলেক্টট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউজ ওয়ারিং, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন এই ট্রেডগুলো প্রশিক্ষকের অভাবে বন্ধ থাকার কারণে তারা ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এই ট্রেডে প্রশিক্ষণ নিতে না পারায় বাধ্য হয়ে অন্যান্য ট্রেডে প্রশিক্ষণ নিতে হচ্ছে। তাদের দাবী খাগড়াছড়ির যুবকরা যাতে বেকার না থেকে সহজে অর্থ উপার্জন করে আত্মকর্মী হতে পারে সেই কথা চিন্তা করে জন গুরুত্বপূর্ণ এই ট্রেড গুলোতে যেন সরকার দ্রুত প্রশিক্ষক ও সহকারী প্রশিক্ষক পদায়ন করে এই ট্রেড গুলো চালু করেন।
খাগড়াছড়ি যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক্স এই প্রশিক্ষক মো. সুজাত হোসেন জানান তিনি দীঘ বছর একাই তার ট্রেডটি চালাচ্ছেন, একটি ট্রেড একার পক্ষে চালানো খুব কষ্ট। তিনি খাগড়াছড়ির যুবকদের কথা চিন্তা করে, যে সমস্ত ট্রেড গুলোতে প্রশিক্ষক ও সহকারী প্রশিক্ষক নেই সেইগুলো প্রশিক্ষক ও সহাকারী প্রশিক্ষক পদায়নের দাবী জানান।
খাগড়াছড়ি যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে উপপরিচালক হাফিজা আইরিন বলেন, ২০১২ সাল থেকে ইলেক্সট্রিক্যাল অ্যান্ড হাউস ওয়ারিং ও ২০১৭ সাল রেফিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশন জনবল সংকটের কারণে বন্ধ আছে। তিনি কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছেন তাছাড়া প্রতি মাসে রির্পোট যায়। তাছাড়া সারা বাংলাদেশেও জনবল সংকট আছে বলে বলেন তিনি। তিনি আরও বলেন সহসাই জনবল নিয়োগ হলে খাগড়াছড়িতে পদায়ন করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ আশ্বস্ত করেছেন।