সাদমানের পর মুমিনুলও ফিরলেন দ্রুতই, বাংলাদেশের লিড ১৫০ রানের

দিনের শুরুতেই জয়ের রাস্তা বেশ খানিকটাই সোজা করে দিলেন হাসান-এবাদতরা। এবার বাকি কাজ ব্যাটারদের। লিডটা যত সম্ভব বাড়িয়ে জয়ের রাস্তাটা আরও বেশি পাকাপোক্ত করা। সেটিকে সামনে রেখেই আবুধাবিতে তৃতীয় সেশনের শুরু থেকেই বেশ বুঝেশুনে ব্যাট করছেন আগের ইনিংসে সেঞ্চুরির আক্ষেপ নিয়ে নামা তানজিদ হাসান তামিম। তবে সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল ইসলাম ফিরেছেন দ্রুতই। 

সেশনের বাকি সময়ে শুরুটা ভালো পেলেও দ্রুতই দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছে শান্তরা। লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে ১০ ওভার ৪ বলে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৪ রান। এই মুহূর্তে লিড ১৫০ রানের। 

স্পিন নির্ভর আবুধাবির এই মাঠে এখনও বোলিংয়ের চালকের আসনে পেসাররাই। আগের ইনিংসে শান্ত-মুশফিকদের পেস তোপে ভোগানো সেলিম ও ইয়ামিনই শুরু করেন দ্বিতীয় ইনিংসের প্রথম স্পেল। সেখানে সাবধানী শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার তামিম ও সাদমান। তবে বিপত্তি ঘটাতে খুব বেশি সময় নিলেন না আফগান পেসার সেলিম। অষ্টম ওভারে ফেরান সাদমানকে (১৩)। 

পরে মুমিনুলকে নিয়ে সেশনের বাকি সময়টা কোনো বাধা ছাড়াই পার করতে চেয়েছিলেন তামিম। তিনি উতরে গেলেন ঠিকই। কাঁটা পড়লেন মুমিনুল, আরেক আফগান পেসার ইয়ামিনের বলে। সাদিকউল্লাহ আতালের হারে ক্যাঁচ দিয়ে ফেরেন মুমিনুল (৭), সেখানে সেশন শেষের ঘোষণা দেন আম্পায়াররা।

এর আগে সকালের শুরুর সময়টা ছিল পুরোদস্তুর বাংলাদেশের। সেখানে এবাদতে পেস তোপে শুরুটা পরে ম্যাজিক দিয়ে শেষ করেছেন হাসান। প্রথম বাংলাদেশি পেসার হিসেবে লাল বলের ক্রিকেটে তুলেছেন হ্যাটট্রিক। আর অলোক কাপালি ও সোহাগ গাজীর পর তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে টেস্টে হ্যাটট্রিক।

সেখানের থামেননি হাসান। আরও একটি উইকেট তুলে পূর্ণ করেছেন ফাইফার, তাতে গড়েছেন আরেক রেকর্ড। টেস্টে বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দ্রুততম (২৯ ইনিংসে) ৫০ উইকেটের কীর্তি। 

এবাদত ও হাসানের সেই পেস তোপে দিনের শুরুতে ইনিংসে কেবল ২৯ রান যোগ করতে পেরেছে আফগানরা। ৪ উইকেটে ২১১ রান দিয়ে শুরু করে অলআউট হয়ে যায় কেবল ২৪০ রানেই। সেখানে দলীয় সর্বোচ্চ ১০৫ রানে করে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক রহমত শাহ। এদিকে বাংলাদেশের হয়ে হাসানের ফাইফার ছাড়া এবাদত নিয়েছেন ৪ উইকেট।