রাজধানীর সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমির সামনের দেয়ালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গ্রাফিতিতে কালি দেওয়ার ঘটনায় আটক ৪ জনকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (১০ অক্টোবর) তাদের আটক করার পর আজ রবিবার (১১ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- আ ন ম আয়াস (২৯), মো. সাকিবুল হাসান (১৯), মো. সুজন মিয়া (১৮) ও মারজিয়া খন্দকার রিমি (২৭)। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ঘিরে কর্মসূচি, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঘটনা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষ এবং নিজে হামলার শিকার হওয়াসহ নানা কারণে আলোচনা-সমালোচনায় এসেছেন আ ন ম আয়াস।
শাহবাগ থানা পুলিশ বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করে। মামলায় মূলত রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ, ধর্মীয় সম্প্রীতিতে আঘাতের চেষ্টা এবং উসকানিমূলক বক্তব্যের অভিযোগ আনা হয়েছে।
শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে আ ন ম আয়াশের নেতৃত্বে একদল লোক ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতার অজুহাতে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিটি মুছে ফেলার চেষ্টা করেন এবং চুনকালি লেপন করেন। ঘটনাস্থলে উত্তেজনার সৃষ্টি হলে শাহবাগ থানা পুলিশ তাদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে আজ রবিবার তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) গত ৫ অক্টোবর সেগুনবাগিচার ফুটপাত দখলমুক্ত করে দেওয়ালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন এবং সত্যজিৎ রায়সহ শিল্প-সংস্কৃতিতে অবদান রাখা ১০ জন গুণী ব্যক্তিত্বের প্রতিকৃতি বা গ্রাফিতি আঁকে।