‘ভায়োলেন্স’ ছাড়লেন অধরা

চিত্রনায়ক জায়েদ খানের সঙ্গে ‘ভায়োলেন্স’ নামের একটি সিনেমায় অভিনয়ের কথা ছিল চিত্রনায়িকা অধরা খানের। এর আগে বিষয়টি নিয়ে একাধিক খবরও প্রকাশ হয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে। কিন্তু হঠাৎ করেই পরিচালকের অপেশাদার আচরণের অভিযোগ তুলে শুটিং শুরুর আগেই সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। গতকাল রবিবার সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে পরিচালকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে কানাডা থেকে দৈনিক দেশ রূপান্তরকেও বিষয়টি নিশ্চিত করেন এই নায়িকা। তিনি জানান, অনেক আগেই সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট পক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় ভক্ত, শুভাকাক্সক্ষী ও সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন তিনি।

অধরার অভিযোগ, পরিচালকের অপেশাদার আচরণ এবং যথাযথ যোগাযোগের অভাব তাকে এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে জানানোর পরও সিনেমাটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি বলে দাবি তার। এতদিন নীরব থাকার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন অভিনেত্রী। তার ভাষ্য, নিজের বক্তব্যের কারণে সিনেমাটির শুটিং কিংবা এর সঙ্গে যুক্ত সহশিল্পী ও কলাকুশলীদের কাজে নেতিবাচক প্রভাব পড়ুক, তা চাননি। তবে এই নীরবতার সময়টুকুতে তাকে আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। অধরার দাবি, ‘ভায়োলেন্স’-এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ হাতছাড়া করেছেন তিনি। চুক্তিগত গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা থাকায় সেসব প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলেও জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

অধরা বলেন, এই অভিজ্ঞতার কারণে আমাকে বড় ধরনের আর্থিক ও পেশাগত ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। ‘ভায়োলেন্স’-এর জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে হলিউডসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কাজের সুযোগ গ্রহণ করতে পারিনি। চুক্তিগত গোপনীয়তার বাধ্যবাধকতা (এনডিএ) থাকায় সেসব প্রজেক্টের বিস্তারিত প্রকাশ করতে পারছি না।

এখানেই শেষ নয়, সিনেমাটির জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে অন্যান্য কাজের সময়সূচি ও পেশাগত প্রতিশ্রুতি ঠিক রাখতে পারেননি অধরা। এ কারণে তার কাস্টিং ডিরেক্টর ও এজেন্সির কাছ থেকেও সতর্কবার্তা পেয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি। সিনেমাটির শুটিংয়ের সময়সূচি নিয়ে যোগাযোগের ধরনও হতাশ করেছে অধরাকে। তার কথায়, শুটিংয়ের মাত্র এক দিন আগে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। এমন অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত হতাশাজনক বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।