প্রকাশিত সংবাদে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতিবাদ 

দেশ রূপান্তরে গত ১০ অক্টোবর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩০ স্বর্ণপদক গায়েব শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখার ভারপ্রাপ্ত পরিচালক স্বাক্ষরিত প্রতিবাদলিপিতে বলা হয় জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ১৩০ স্বর্ণপদক গায়েব শিরোনামে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান, শিক্ষার্থী নির্বাচন ও স্বর্ণপদক প্রস্তুত-সংক্রান্ত বিষয়ে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা প্রকৃত ঘটনা ও তথ্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। প্রতিবেদনে কোথায় গেল ১৩০ স্বর্ণপদক বলে যে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রকৃত ঘটনা হলো ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রশাসন ১৩০ শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। ওই উদ্যোগের অংশ হিসেবে স্বর্ণপদক প্রস্তুতের দরপত্র আহ্বান করলেও ২০২৪ এর ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানের সময় প্রশাসনিক শূন্যতা ও অস্থিরতার কারণে প্রক্রিয়াটি স্থগিত ও দরপত্র বাতিল করা হয়। ফলে কোনো স্বর্ণপদক প্রস্তুত করা হয়নি। আর চলতি বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর জাতীয় বিশশ্ববিদ্যালয় ৫৭ শিক্ষার্থীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে। এ ক্ষেত্রে কোনো স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়নি এবং স্বর্ণপদক প্রস্তুত বা সরবরাহ বাবদ কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি। প্রতিবেদনে ১৩০ জনের পরিবর্তে ৫৭ জনকে অ্যাওয়ার্ড প্রদানের সিদ্ধান্তের বিষয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকৃত ঘটনা হলো বর্তমান বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর অ্যাওয়ার্ড প্রদানের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। আগের নীতিমালায় প্রতিটি বিষয়ে ৩.৫০ অর্জনের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের বিধান ছিল। কিন্তু বর্তমান নীতিমালায় ৩.৯০ থেকে ৪ এবং সমাজবিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসা  শিক্ষার ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩.৭০ পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়। এ নীতিমালার কারণে ৫৭ জনকে অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ২০২৪ সালের মনোনীত কয়েকজনও ছিল।

প্রতিবেদকের বক্তব্য : উক্ত প্রতিবেদন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দুদকে দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। এতে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি।