শেই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতকে আবার হারালো উইন্ডিজ

শেই হোপের সেঞ্চুরিতে ভারতকে আবার হারালো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। হায়দরাবাদে সিরিজের চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে ২৪৭ রান তুলে ভারতকে ২২৩ রানে আটকে দিয়েছে। ২৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতা ফেরালো ক্যারিবীয়রা। শনিবার বেঙ্গালুরুতে শেষ ম্যাচে সিরিজের নিষ্পত্তি হবে।

ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রিত শেই হোপ ইনিংস শুরু করতে নেমে শেষ বল পর্যন্ত খেলে ৫০ বলে ১০২ রান করেন। দুইশ ছাড়ানো স্ট্রাইক রেটের ইনিংসটি সাজানো নয়টি ছক্কা ও চারটি চারে। 

ইনিংসের প্রথম দুই ওভারে কেবল দুই বল স্ট্রাইক পান হোপ। তৃতীয় বলে মায়াঙ্ক যাদবকে ছক্কায় ওড়ান তিনি। একাদশ ওভারে মায়াঙ্ককে ছক্কায় উড়িয়ে ফিফটি স্পর্শ করেন হোপ, ২৮ বলে। পঞ্চাশের পর আরও দ্রুত তার ব্যাট থেকে আসে রান। ফিফটি থেকে সেঞ্চুরিতে পৌঁছাতে তার লাগে ২২ বল। অক্ষর প্যাটেল ও নিতিশ কুমার রেড্ডিকে একটি করে ছক্কা মারেন হোপ। ইনিংসের শেষ দুই বলে নিতিশকে ওই দুই ছক্কায় কাঙ্ক্ষিত তিন অঙ্কে পৌঁছে যান তিনি।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি হোপের তৃতীয় সেঞ্চুরি, ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে এই ফরম্যাটে যা সর্বোচ্চ। ক্যারিবীয়দের দুটি করে সেঞ্চুরি আছে ক্রিস গেইল ও এভিন লুইসের। একটি করে সেঞ্চুরি করেছেন জনসন চার্লস ও রভম্যান পাওয়েল।

ভারত সফরে হেসেই চলেছে হোপের ব্যাট। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে দুটি সেঞ্চুরি করেন তিনি। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে চার ম্যাচের মধ্যে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পেয়ে গেলেন দুইবার।

ভারতীয় বোলিংকে নিয়ে ছেলেখেলা করলেন রাদারফোর্ড, শিমরন হেটমেয়ারও। রাদারফোর্ড অপরাজিত থাকলেন ২৬ বলে ৪৯ রান করে। মারলেন ৪টি চার এবং ৩টি ছক্কা। হেটমেয়ারের ব্যাট থেকে এল ১২ বলে ৩৩ রানের ইনিংস। যাতে রয়েছে ৪টি চার এবং ২টি ছয়। এ ছাড়া জুয়েল অ্যান্ড্রু ১৬ বলে ২১ এবং রভম্যান পাওয়েল ১৭ বলে ২৪ রান করেন।

রান তাড়ায় প্রথম তিন ওভারেই ভারতের স্কোরবোর্ডে উঠে যায় ৫০ রান। ১৮ বল খেলে (একটি নো ডেলিভারিসহ) সন্জু স্যামসন একাই তোলেন ৪৭ রান, অন্য প্রান্তে তখন ব্যাটিংয়ের সুযোগের অপেক্ষায় আরেক বিস্ফোরক ব্যাটসম্যান অভিষেক শর্মা।

তিন নম্বরে নেমে ইশান কিশান (৬) উইকেট ছুড়ে দিলেন। একই ওভারে সঞ্জু এবং ইশানকে আউট করে ধাক্কা দেন কেমো পল। ৬৭ রানে ২ উইকেট হারানোর পর অভিষেক শর্মা, শ্রেয়াস আয়ার চেষ্টা করেন। তবে তাঁদের ব্যাটিং দেখে মনে হয়নি ক্যারিবিয়ানদের জন্য ব্যাটিং সহায়ক পিচ সাজিয়ে দেওয়া হয়ে ছিল! শ্রেয়াস আউট হন ১১ বলে ১৬ রান করে। অভিষেক চেষ্টা করলেও চেনা মেজাজে দেখা যায়নি। পাওয়ার প্লেতে ব্যাট করার তেমন সুযোগ পাননি বলে হয়তো স্বাভাবিক খেলা খেলতে পারলেন না। ২৪ বলে ২৯ রান করেন তিনি।