তেল পাচারে বাধা, যুবদল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় যুবদল নেতা সোহেল রানাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা সুইটের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী। তবে কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

রবিবার (১৮ অক্টোবর) উপজেলার বোনারপাড়া শপিং কমপ্লেক্সে একটি কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন সোহেল রানা। তিনি সাঘাটা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে সোহেল রানা বলেন, সাঘাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন সুইট ও তার ভাই ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি সুজ্জাউদৌলা সুজা দীর্ঘদিন থেকে নদীপথে সার, তেল, পাচার করে আসছিলেন। ৮ অক্টোবর রাতে ভরতখালী খেয়াঘাট দিয়ে নৌপথে অবৈধভাবে ৪০ ব্যারেল ডিজেল,১০ ব্যারেল ওয়াকটেল পাচার করার চেষ্টা করছিলেন। এ সময় এসব পণ্যের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে, হঠাৎ সুইটের লোকজন অতর্কিত হামলা করে মারধর করে ও মাথায় আঘাত করে। এসময় মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে যান সোহেল রানা।

পরে স্থানীয়রা আহত যুবদল নেতা সোহেল রানাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরার পর সুইট চেয়ারম্যানের বাহিনী মুঠোফোনে তাকে কল দিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এই ঘটনার পর ছয়জনকে অভিযুক্ত করে থানায় এজাহার দায়ের করেন তিনি।

এবিষয়ে সাঘাটার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুরুল হুদা জানান, এ ঘটনায় একটি এজাহার পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।