সাবেক স্ত্রীসহ তিনজনের বিরুদ্ধে হিরো আলমের চাঁদাবাজির মামলা

সাবেক স্ত্রী মোছা. সাথী খাতুনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা করেছেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ হিরো আলমের জবানবন্দি গ্রহণ করে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অপর দুই আসামি হলেন হিরো আলমের কাজের সহযোগী আহসান হাবিব সেলিম ও মো. মহিদুল ইসলাম।

মামলার অভিযোগে হিরো আলম বলেন, সাথী তার সঙ্গে মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার সুযোগ চেয়েছিলেন। পরে তাকে মিউজিক ভিডিওতে কাজের সুযোগ দেন তিনি। কয়েকটি মিউজিক ভিডিওতে কাজ করার পর একদিন রামপুরায় হিরো আলমের কার্যালয়ে গিয়ে সাথী তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেন এবং ব্ল্যাকমেইল করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, আগের বিয়ের কথা গোপন রেখে চলতি বছরের ৪ এপ্রিল সাথীকে বিয়ে করেন হিরো আলম। পরবর্তী সময়ে সাথী সেলিমের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ছাড়া সংসারের প্রয়োজনে শাড়ি ও কাপড় কেনার কথা বলে বিভিন্ন সময়ে সাথী তার কাছে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। সংসারের সুখের কথা চিন্তা করে তাকে ওই টাকা দেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন হিরো আলম।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত ২২ আগস্ট ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে যান হিরো আলম। এ সময় আসামিরা তাকে ফোন করে সাজসজ্জা ও মিউজিক ভিডিওর জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করেন। দেশে ফিরে তিনি জানতে পারেন, সেলিম ও মহিদুলের সঙ্গে সাথী শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে তার অভিযোগ।

পরে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সাথীকে তালাক দেওয়ার পর তিন আসামি মিলে তার কাছে ১৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন হিরো আলম। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালাগাল এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় গত ১৬ অক্টোবর হাতিরঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান হিরো আলম।