ভারতের বলিউডের অভিনেতা টাইগার শ্রফের ওপর হামলার পেছনের ষড়যন্ত্রের তদন্ত মঙ্গলবারে (২০ অক্টোবর) রাজধানী দিল্লিতে গড়িয়েছে। তদন্তে বেরিয়ে আসছে অনেক অজানা তথ্য।
দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে দুজন নারী রয়েছেন। এই চারজন 'হামলাকারীদের ব্যবহৃত অস্ত্র জোগাড় ও পরিবহনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন' বলে অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ কুণাল, সুমিত, রাধা এবং ববিতা নামে এই চারজনকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, কুণাল ও সুমিত অস্ত্রগুলোর ব্যবস্থা করেছিলেন এবং রাধা ও ববিতা মুম্বাইয়ের দাদরে গিয়ে ওই তিন ব্যক্তির হাতে অস্ত্রগুলো তুলে দেন।
অভিনেতা জ্যাকি শ্রফের ছেলে টাইগার শ্রফ গত রবিবার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের জুহুতে ফুটবল খেলতে গিয়েছিলেন। তিনি যখন তার বিএমডব্লিউ গাড়িতে করে মাঠের গেটে ভিড় জমানো ভক্তদের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই দুজন লোক সামনে থেকে তার গাড়িতে গুলি চালায়।
তারা মোট ৬ থেকে ৭ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। হামলাকারীদের একজন অভিনেতার মাত্র কয়েক ইঞ্চি দূরে গিয়ে সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে পিস্তল তাক করেছিল। ভাগ্য ভালো থাকায় সে যখন ট্রিগার টেপে, তখন তার বন্দুকটি জ্যাম হয়ে যায়, ফলে টাইগার শ্রফ অক্ষত থাকেন। এই হামলায় অভিনেতার চালক এবং এক পথচারী আহত হন।
এর আগে চলতি সপ্তাহেই নেপালে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করার সময় রাজস্থানের কোটা থেকে তিন শুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই তিন শুটার হলেন—বিহারের হৃতিক ওরফে রোশন (২২) এবং হরিয়ানার রেহান (১৮) ও ফুল সিং (১৮)। খবর রয়েছে যে এই তিন ব্যক্তির লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সাথে যোগাযোগ রয়েছে।
হরিণ শিকারের একটি ঘটনার জেরে অভিনেতা সালমান খানকে লক্ষ্য করে আসছিল এই গ্যাং; সালমান খানের সাথে টাইগার শ্রফের ঘনিষ্ঠতা থাকায় এই হামলার দায় স্বীকার করেছে ওই গ্যাং।