রোনালদোর ৩৭তম পেনাল্টি মিস, মেসির কত

পর্তুগাল জাতীয় দল থেকে নিষিদ্ধ হওয়ার পর ক্লাবের হয়ে নিজের প্রথম ম্যাচেই মাঠে নেমেছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে নিওম এসসির বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করে হতাশায় পোড়েন এই পর্তুগিজ সুপারস্টার। তবুও পেনাল্টি মিসের সেই হতাশা আল-নাসরকে পয়েন্ট হারাতে দেয়নি; জোয়াও ফেলিক্সের লক্ষ্যভেদে ১-০ ব্যবধানের কষ্টার্জিত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে রোনালদোর দল।

২০ অক্টোবর রাতে পার্ক দে প্রাঁস বা অন্য আন্তর্জাতিক মঞ্চের মতো সৌদি লিগেও উত্তেজনা ছড়ায় এই ম্যাচ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল আল-নাসর। ডি-বক্সের ভেতর নিওম ডিফেন্ডার মোহাম্মদ আল দোসারি ফাউল করে বসেন জুয়াও ফেলিক্সকে। কিন্তু পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নিয়ে হতাশ করেন রোনালদো। টাইব্রেকার বাদে পেশাদার ক্যারিয়ারে এটি ছিল তাঁর ৩৭তম পেনাল্টি মিস। ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি মিসের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডটি রোনালদোর নামেই, যেখানে ৩২টি মিস নিয়ে দুইয়ে লিওনেল মেসি। অবশ্য ক্যারিয়ারজুড়ে ২২০টিরও বেশি স্পট-কিক নেওয়ার কারণেই তাঁর মিসের সংখ্যা বেশি, তবে নিখুঁত সাফল্যের হার এখনও প্রায় ৮৩.৫ শতাংশ।

ম্যাচের ধারায় প্রথমার্ধে সিআরসেভেনের পেনাল্টি হাতছাড়ার হতাশা থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে আল-নাসরের ত্রাণকর্তা হন জুয়াও ফেলিক্স। খেলার ৬০ মিনিট পেরিয়ে যেতেই বক্সের প্রান্ত থেকে দুর্দান্ত এক শটে নিওমের জাল কাঁপান এই পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত ফেলিক্সের এই এক গোলই ৩ পয়েন্ট নিশ্চিত করে আল-নাসরের। এই জয়ে ৭ম লিগ জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের তিন নম্বরে উঠে এলো দলটি; এক ম্যাচ কম খেলে শীর্ষে থাকা আল-কাদসিয়ার চেয়ে তারা এখন মাত্র ৩ পয়েন্ট পিছিয়ে।

 

উল্লেখ্য, জাতীয় দলের কোচ জর্জ জেসুসের সঙ্গে ম্যাচ টাইম নিয়ে বিরোধের জেরে পর্তুগাল ক্যাম্প ত্যাগ করায় সম্প্রতি ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা ও ২৫৫ ইউরো জরিমানা গুণতে হয় রোনালদোকে। তবে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত অধ্যায় পেছনে ফেলে ক্লাব জার্সিতে ফিরে বড় ভুলের পরও জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার।