রোগযন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন আফজাল হোসেন, মানবিক সহায়তার আকুতি

আফজাল হোসেন বিশু, বয়স ৫৮ বছর। নাটোরের বড়াইগ্রামের মেরিগাছা গ্রামের বাসিন্দা। ১১ বছর আগে বাড়ির পাশের বড়াল নদীতে পাট ধুতে গিয়েছিলেন। সেখানে পাটের আঁশ ছাড়ানোর সময়ে শুরু হয় সামান্য চুলকানী। এরপর ধীরে ধীরে সে চুলকানী রূপ নেয় ঘায়ে। তারপর শরীর থেকে খসে পড়তে থাকে মাংস।

ইতোমধ্যে চিকিৎসার জন্য গরু, আবাদী জমি ও ভিটেমাটি বিক্রি করে চিকিৎসার পেছনে প্রায় ১২ লাখ টাকা খরচ করেছেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয়নি। গুরুতর শারীরিক অবস্থার কারণে কোন কাজ করতে পারছেন না, দীর্ঘ প্রায় এক যুগ ধরে পড়ে বিছানায় আছেন। বর্তমানে চিকিৎসা চালিয়ে যাবার মতো অবস্থা নেই পরিবারটির।

আফজাল হোসেন বিশুর পরিবার জানায়, প্রতিদিন তার ওষুধ খরচ লাগে ৬শ টাকা। তার স্ত্রী সারাদিন সেলাই মেশিনে কাজ করে মাত্র এক-দেড়শ টাকা পান। আর রাজমিস্ত্রীর সহকারীর কাজ করে ছেলে পান ৪শ’ টাকা। এ সামান্য টাকায় ওষুধ কিনলে পাঁচ সদস্যের পরিবারকে না খেয়ে থাকতে হয়। আর তাদের ভরণপোষণের ব্যবস্থা করলে বন্ধ থাকে চিকিৎসা।

কান্নাজড়িত কন্ঠে আফজাল হোসেন বিশু বলেন, এখন আমার আর কোন টাকা-পয়সা নেই। কি দিয়ে চিকিৎসা করবো। সবার কাছে আমার একটাই মিনতি, আমি যেন বাঁচতে পারি। দয়া করে আপনারা আমার পাশে দাঁড়ান।

তার পুরোপুরি চিকিৎসার জন্য আরও কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন বলে  চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, যতদিন বেঁচে থাকবেন, ততদিন ওষুধ খেয়ে যেতে হবে তাকে। এ অবস্থায় সমাজের বৃত্তবান ও দানশীল ব্যাক্তিদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন আফজাল হোসেন বিশু ও তার পরিবার।