বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা এলাকায় কাওসার হাওলাদার (৩৭) নামে এক যুবদল কর্মীকে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উজিরপুর-কোটালীপাড়া সীমান্তবর্তী পশ্চিম সাতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। একই ঘটনায় রাশেদ আমিন নামে আরও এক যুবদল কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। জানা গেছে, নিহত কাওসার হাওলাদার (৩৭) পেশায় একজন মোটরবাইক চালক ও সাতলা ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য। তিনি উজিরপুর উপজেলার সাতলার আলামদী গ্রামের মেনাসেফ হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত শুক্রবার সকালে সাতলার একতা বাজারে কাওসারের সঙ্গে স্থানীয় নান্নু মোল্লার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। রাত ৯টার দিকে রাশেদ আমিন, কাওসারসহ ৪-৫ জন সাতলা ব্রিজের ওপর আড্ডা দেওয়ার সময় একদল অস্ত্রধারী একটি মাইক্রোবাস ও মোটরবাইক নিয়ে তাদের ঘিরে ধরেন। একপর্যায়ে মাইক্রেবাসে আসা সজল মোল্লা, শামীম মোল্লা, মেহেদী মোল্লা, কাঞ্চন মোল্লা, সাইফুল বালীসহ ৮-১০ জন সন্ত্রাসীরা তাদের মারধর শুরু করেন। এ সময় তারা কাওসারকে কুপিয়ে জখম করেন। ধারালো অস্ত্রের কোপে আহত হয়ে কাওসার প্রাণ বাঁচাতে পাশের হাবিব হাওলাদারের ঘরে আশ্রয় নেন। সন্ত্রাসীরা ওই বাড়িতে হানা দিয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে কাওসারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেন।
উজিরপুর মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পরপরই উজিরপুর মডেল থানা পুলিশ স্থানীয় সজল মোল্লা, শামীম মোল্লাসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করে। এ ব্যাপার জানতে চাইলে সহকারী পুলিশ সুপার (উজিরপুর সার্কেল) সৌমেন্দ্র বাইন বলেন, ‘এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আমরা অল্প সময়ের মধ্যে হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে হত্যাকা-ের কারণ উদ্ঘাটন করা হবে।’