নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পৃথক দুটি গুলির ঘটনায় দুজন আহত হয়েছেন। শনিবার (২৪ অক্টোবর) বিকেল ও রাতে এসব ঘটনা ঘটে। আহত দুজনই নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত ব্যক্তিরা হলেন সোনাইমুড়ীর নাটেশ্বর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী ও প্রবাসফেরত জামাল উদ্দিন এবং বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের তরুণ কামরুল হাসান (২৪)। এর মধ্যে কামরুলের মোটরসাইকেলও ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।
শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নাটেশ্বর ইউনিয়নে একটি চায়ের দোকানে বসে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন জামাল উদ্দিন। এ সময় হেলমেট পরা দুই ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তার বাঁ হাঁটু ও ঊরুতে গুলি লাগে।
স্থানীয়দের ধারণা, আসন্ন নাটেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ এবং পোস্টার সাঁটানোর কারণে এ হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, হামলার প্রকৃত কারণ এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অন্যদিকে, শনিবার বিকেলে বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর যাওয়ার পথে বাংলাবাজার এলাকায় হামলার শিকার হন কামরুল হাসান। পেশায় দর্জি কামরুল ছুটি কাটাতে চট্টগ্রাম থেকে গ্রামের বাড়িতে এসেছিলেন।
খালাতো ভাই রাকিবকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় সাহাব উদ্দিন, নুরসহ কয়েকজন তাদের পথরোধ করেন। এ সময় নুর কামরুলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। পরে দুর্বৃত্তরা তার ব্যবহৃত জিক্সার মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়।
নোয়াখালী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রাজীব আহমেদ চৌধুরী জানান, কামরুলের এক বাহু ও পেটের ওপরের অংশে গুলির আঘাত রয়েছে। তবে তিনি বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহবুবুল কবির জানান, দুর্বৃত্তদের ছিনিয়ে নেওয়া মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।