দুমকিতে কুয়াশায় শীতের আমেজ

পটুয়াখালীর দুমকিসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় ভোরের কুয়াশা ও হালকা হিমেল হাওয়ায় শীতের আগমনী বার্তা পাওয়া যাচ্ছে। দিনের বেলায় রোদের তাপ থাকলেও শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত অনুভূত হচ্ছে হালকা শীত। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে প্রকৃতিতেও দেখা দিচ্ছে শীতের পূর্বাভাস।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে দুমকি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হালকা কুয়াশা দেখা যায়। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদ, ফসলের মাঠ, নদীর তীর ও খোলা জায়গায় কুয়াশার উপস্থিতি ছিল স্পষ্ট। ভোরে বাতাসে শীতল অনুভূতি থাকলেও সূর্য ওঠার পর ধীরে ধীরে তা কমে আসে।

উপজেলার পাঙ্গাশিয়া, শ্রীরামপুর, লেবুখালী, আঙ্গারিয়া ও মুরাদিয়া ইউনিয়নের গ্রামীণ পরিবেশে তৈরি হয়েছে শীতের আগমনী আমেজ। সকালবেলা ঘাসের ডগায় শিশিরবিন্দু আর নদীর ওপর হালকা কুয়াশা প্রকৃতিতে যোগ করেছে ভিন্ন সৌন্দর্য।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, কয়েকদিন ধরে শেষ রাত ও ভোরের দিকে আবহাওয়ার পরিবর্তন অনুভূত হচ্ছে। দিনের বেলায় গরম থাকলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাতাসে শীতলতা বাড়ছে। বিশেষ করে নদীতীরবর্তী ও খোলা এলাকায় শীতের অনুভূতি তুলনামূলক বেশি।

ভোরে কাজে বের হওয়া কৃষক, জেলে, দিনমজুর ও পথচারীরা হালকা শীত অনুভব করছেন। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোদের তাপে আবারও গরম অনুভূত হচ্ছে। ফলে একই দিনে গরম ও শীতল আবহাওয়ার ভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে মানুষকে।

এদিকে দুমকিসহ পটুয়াখালীর কলাপাড়া, গলাচিপা ও রাঙাবালীর গ্রামীণ জনপদেও বিরাজ করছে ঋতু পরিবর্তনের আমেজ। নদী-নালা, খাল-বিল ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠঘেরা দক্ষিণাঞ্চলে শীতের শুরুতে এমন প্রাকৃতিক দৃশ্য পরিচিত।

বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, এখন হেমন্তকাল। সাধারণত এ সময় থেকে রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। বাতাসের জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হয়ে ভোরে কুয়াশা ও শিশিরের সৃষ্টি হয়।

তবে এখনো পুরোদমে শীত নামেনি। দিনের তাপমাত্রা তুলনামূলক বেশি থাকায় গরমের অনুভূতিও রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, নভেম্বরের শেষ দিকে শীতের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে।

শীতের আনুষ্ঠানিক আগমন না ঘটলেও ভোরের কুয়াশা, শিশিরভেজা ঘাস ও হিমেল বাতাসে দক্ষিণাঞ্চলের প্রকৃতিতে ইতিমধ্যে মিলছে শীতের আগমনী বার্তা।