তারকাদের ভিড়ে সবচেয়ে দামী শরীফুল

দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে নতুন সংযোজন ডমেস্টিক থ্রি (ডি থ্রি) টুর্নামেন্টের খেলোয়াড় নিলামে সর্বোচ্চ পয়েন্টে দল পেয়েছেন বাঁহাতি পেসার শরীফুল ইসলাম। ‘এ’ ক্যাটাগরির এই ক্রিকেটারকে দলে নিতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর মধ্যে ছিল প্রতিদ্বন্দ্বিতা। শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২ কোটি ৩০ লাখ পয়েন্টে নিলামের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে ওঠেন জাতীয় দলের এই পেসার।

ছয় ফ্র্যাঞ্চাইজির অংশগ্রহণে আয়োজিত এই নিলামে প্রতিটি দলের বাজেট ছিল ১০ কোটি পয়েন্ট। সব মিলিয়ে ছয় দলের বরাদ্দ ৬০ কোটি পয়েন্ট। নিলামের আগে লটারির মাধ্যমে দলগুলো একজন করে আইকন ক্রিকেটার নেয়। ফলে বাকি ২২ জনকে নিলাম থেকে কিনে ২৩ সদস্যের স্কোয়াড গড়তে হচ্ছে প্রতিটি দলকে। এই নিলে ‘এ’ ক্যাটাগরির তারকারা সবাই দল পেয়েছেন।

এ ক্যাটাগরির খেলোয়াড়রা

এই ক্যাটাগরিতে ছিলেন লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, নাহিদ রানার মতো তারকারা। তাদের ভিত্তিমূল্য ছিল ৪০ লাখ পয়েন্ট।

এ ক্যাটাগরির নিলাম শেষে যারা দল পেলেন-

ফরচুন গ্রুপ : তাওহীদ হৃদয়, রিশাদ হোসেন, সৌম্য সরকার, নাজমুল হোসেন শান্ত, তানজিদ হাসান তামিম।

ওয়ালটন :  মেহেদী হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক, লিটন দাস, তাসকিন আহমেদ।

এইস ব্লু স্টার : নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী, হাসান মাহমুদ, নাহিদ রানা, এনামুল হক বিজয়।

সেভেন রিংস সিমেন্ট : মুশফিকুর রহিম, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান।

একমি গ্রুপ :  মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত।

সিটিজেন ব্যাংক : নাইম শেখ, সাইফ হাসান, জাকের আলী, খালেদ আহমেদ, শরী ফুল ইসলাম।

নিলামের তালিকায় ছিলেন মোট ২৬৮ জন ক্রিকেটার। পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা খেলোয়াড়দের ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছিল ৫ লাখ থেকে ৪০ লাখ পয়েন্ট পর্যন্ত। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে ৩০ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ২০ লাখ, ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ১০ লাখ এবং ‘ই’ ক্যাটাগরিতে ৫ লাখ পয়েন্ট ছিল ভিত্তিমূল্য।

আগেই আইকন হিসেবে দল পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, মুশফিকুর রহিম, তাওহীদ হৃদয়, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নুরুল হাসান সোহান ও নাঈম শেখ। তাদের জন্য নিলামের বরাদ্দ পয়েন্ট খরচ করতে হচ্ছে না ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে।

আগামী ১৫ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা ডি থ্রির টি-টোয়েন্টি লিগ। ৩১ ডিসেম্বর ফাইনালের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এই পর্ব।