প্রজ্ঞাপন জারি

রাষ্ট্রপতির কোটায় সচিব হলেন এনবিআর চেয়ারম্যান আহসান হাবিব

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে গত জুনে নিয়োগ পাওয়া আহসান হাবিবকে রাষ্ট্রপতির কোটায় অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (ইআরডি) সচিব পদে প্রেষণে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। 

একইসঙ্গে তিনি এনবিআরের পুর্ণ চেয়ারম্যান পদেও নিযুক্ত হয়েছেন। নিয়োগের পর থেকে এতোদিন তিনি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দুটি পদেই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-১ শাখা থেকে আহসান হাবিবকে ইআরডি সচিব ও এনবিআরের পূর্ণাঙ্গ চেয়ারম্যান পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর করার কথা বলা হয়েছে। অবসরে যাবার পুর্বে তিনি নিজ ক্যাডারে (কর ক্যাডার) প্রত্যাবর্তন করবেন বলেও উল্লেখ করা হয়।

গত ৩০ জুন আহসান হাবিব ভারপ্রাপ্ত সচিব ও এনবিআর চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান। তার আগে তিনি এনবিআরের কর প্রশাসন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা অনুবিভাগের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একইসঙ্গে তিনি বিসিএস ট্যাক্সেশন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিসিএস ১৫ তম ব্যাচের কর ক্যাডারে প্রথম স্থান পেয়ে ১৯৯৫ সালের ১৫ নভেম্বর তারিখে চাকরিতে নিযুক্ত হয়েছিলেন।

দীর্ঘদিন পর কর ক্যাডার থেকে এনবিআর চেয়ারম্যান নিয়োগে সরকারের সিদ্ধান্ত ওই সংস্থার অভ্যন্তরে নন্দিত ও নিন্দিত হয়। এনবিআরের মাঠপর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানান। অপরদিকে, রাজস্ব প্রশাসনের বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে তাকে পদায়ন করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে প্রশাসনিক মহলে সমালোচনা ওঠে।

এছাড়া, নিয়োগের পর তাৎক্ষণিক কিছু প্রশাসনিক পদায়ন ও সিদ্ধান্তের কারণে অভ্যন্তরীণভাবে কিছু কর্মকর্তার মধ্যে তাকে ঘিরে অসন্তোষ তৈরি হয়। এনবিআরে তিনি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি)-র মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বেশ কিছু কর ফাঁকি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন। 

তার আগে এনবিআরের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সাবেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব মো. আবদুর রহমান খান।