মুশফিকুর রহিমের চোটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টের একাদশে সুযোগ পান তাওহীদ হৃদয়। তবে ব্যাটিংয়ের সময় নিজেও চোট পান এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। বাঁ পায়ের হাঁটুর নিচের অংশে একাধিকবার ক্রাম্প করায় শেষ পর্যন্ত স্ট্রেচারে করে মাঠ ছাড়েন তিনি।
৬৩তম ওভারে প্রথমবার ক্রাম্পের শিকার হয়ে একবার চিকিৎসা নিলেও বিপদ কাটেনি হৃদয়ের। এর ঠিক কিছুক্ষণ পর ৬৫.৫ ওভারে জশুয়া বিশপের ওভারের পঞ্চম বলে এক রান নেওয়ার পরই আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি তিনি। বাঁ পায়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করে মাঠেই বসে পড়েন এই ব্যাটার, যা দেখে তার চোটের গুরুতর রূপটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এবার আর সারিয়ে তুলতে পারলেন না ফিজিও বায়েজিদুল ইসলাম।শেষ পর্যন্ত রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ছাড়েন মাঠ।
৮৪ বলে ৪২ রানে অসুস্থ হয়ে মাঠ ছাড়ার আগে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে রেখে যান হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে সাদমান ইসলামের সঙ্গে ৮৮ রানের জুড়ি গড়েন তিনি।
চোটে হৃদয়ের মাঠ ছাড়ার পর নতুন ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে আসেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটার লিটন দাস। অন্যপ্রান্তে টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরির সুবাস পাওয়া সাদমান ইসলাম তখনো অত্যন্ত সতর্ক ও আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গিতে অপরাজিত রয়েছেন। তবে কিছুক্ষণ বাদেই মেঘলা আকাশ ও আলোকস্বল্পতায় খেলা বন্ধ ঘোষণা করে আম্পায়াররা। এর আগ পর্যন্ত ৭০ ওভারে ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২০৭ রান। সাদমান অপরাজিত আছেন ৯৬ রানে আর লিটন ৭ রানে।