এইচএসসি পরীক্ষা

ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের সবাই উত্তীর্ণ 

এইচএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ছয় জেলার মধ্যে পাসের হারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফেনী। জেলায় এবার পাসের হার ৫২ দশমিক ১৬ শতাংশ। ৯ হাজার ৪৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৪ হাজার ৯৪০ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১৪১ জন।

তবে জেলার দুটি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। অন্যদিকে, ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের ৬১ জন পরীক্ষার্থীর সবাই উত্তীর্ণ হয়েছেন। যদিও প্রতিষ্ঠানটি এবার শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে পরীক্ষার ফলাফলসংক্রান্ত এসব তথ্য জানান বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম।

ফলাফল অনুযায়ী, ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ৬০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪৪ জন। এ ছাড়া মানবিক বিভাগ থেকে একজন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তিনিও জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন।

গত চার বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটি শতভাগ জিপিএ-৫ পাওয়ার রেকর্ড ধরে রেখেছিল। ২০২৫ সালে ৪৮ জন, ২০২৪ সালে ৫৫ জন, ২০২৩ সালে ৫৭ জন এবং ২০২২ সালে ৫৫ জন পরীক্ষার্থীর সবাই জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন। তবে এবার সেই ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়েছে।

এবার ফেনী জেলার ৪১ কলেজের শিক্ষার্থীরা ১১টি কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ছিলেন ৩ হাজার ৮৭২ জন এবং ছাত্রী ৫ হাজার ৫৯৯ জন। উত্তীর্ণদের মধ্যে ছাত্র ১ হাজার ৬৭৮ জন এবং ছাত্রী ৩ হাজার ২৬২ জন।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ফেনীর দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবার কোনো পরীক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি হলো বেগম শামসুর নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিকন মডেল কলেজ।

বেগম শামসুর নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

অন্যদিকে, বিকন মডেল কলেজ থেকে সাতজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। তাদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের তিনজন, মানবিক বিভাগের তিনজন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

বোর্ডের ফলাফল অনুযায়ী, পাসের হারে কুমিল্লা জেলার পরই রয়েছে ফেনী। কুমিল্লায় পাসের হার ৫৩ দশমিক ৫২ শতাংশ। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫০ দশমিক ১৫, চাঁদপুরে ৪৫ দশমিক ৩৫, লক্ষ্মীপুরে ৪১ দশমিক ২৯ এবং নোয়াখালীতে ৩৮ দশমিক ৯০ শতাংশ।