ঘুমুতে ঘুমুতে এসো আয়ু, এসো দীর্ঘ চুমু খাই
তোমার বর্তুল তিল, স্তন আর বায়ু লিপ্ত শিহরণে
স্বপ্নের ভেতর বাহু জাগিয়ে ধরেছে অবারিত দেহ
আমি জাপটে ধরি স্বপ্ন মহাসংগীতের ভাষার ভেতর
ওগো—তুমি শব্দ হয়ে ওঠো ভোরের পিঙ্গল মাঠে
প্রশস্ত দ্বীপের যেখানে বৃষ্টির ছটায় ডুবেছে দৃষ্টি
রহস্য সেখানে সিক্ত জোসনায় তোমাকে ভাবায়
তবে কি আমরা দাঁড়িয়েছিলাম বিষুবরেখার ঘরে
নাকি হেঁটে যাচ্ছিলাম অসমাপ্ত অক্ষয়টানের সুরে
জেগে উঠে আমাকে জাগালে জাগরী কশেরুকায়
নখ আর নাকে যেন থিরথির কাঁপছে স্নায়ুর-স্পর্শ
শব্দ বলে—চুমু যার দীর্ঘ হয় জীবন তার সহজ
আমি বাতাসের হাতে তুলে দিলাম সরল গুচ্ছচুল
যেন ঘাম শুকাবার আগে প্রতিদিন আমরা মিলব
গোপন হ্যাঙারে ঝুলে থাকা জীবন্ত জামার মতো
জীবানন্দ যেমন লুকিয়ে রাখে লুপ্ত দেহের উত্তাপ
তোমার স্পন্দন কেবল সহজ রক্তে বয়ে বেড়াই
তল থেকে সমস্ত উত্তল বল ভর করে দীর্ঘশ্বাসে
তুমি কি নৈবেদ্য লীলা টের পাও নিমগ্ন নিদ্রায়
আমি আচ্ছন্ন নৈঃশব্দ্যসব হৃৎপিণ্ডে পুষি, সখি—
রাখী হাতে রাখি রাখার আদলে মর্মভেদী টান
সুরাবেশ গান লগ্নরসে গাই শতাব্দীর শেষ-প্রাণ
জুন ২০২৫ ।। ঢাকা