সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস লিমিটেডের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

দেশের প্রথম ও দ্রততম কুরিয়ার সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রাঃ) লিমিটেডের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে রাজধানীর মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়সহ দেশব্যাপী সকল শাখায় নানা আয়োজনে দিনটি উদযাপন করা হয়। 

রবিবার (১ নভেম্বর) দিনের শুরুতে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মো. ইমামুল কবীর শান্ত’র বনানীর কবরে শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং দোয়ার আয়োজন করা হয়। এরপর বিকেলে মতিঝিলের প্রধান কার্যালয়ে কেক কাটা এবং দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আয়োজন শেষ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রা.) লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ তানভির আহমেদ রনি। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত সদস্য ১। ডা. আঞ্জুমান আরা বেগম ২। মিসেস আফরোজা বেগম ৩। মিসেস দিলরুবা বেগমসহ প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালকবৃন্দ ও কর্মকর্তা—কর্মচারীরা।

উল্লেখ্য, ১৯৮৩ সালে বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোঃ ইমামুল কবীর শান্ত জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য ডাক ও পার্সেল সেবা পেঁৗছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠা করেন সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রাঃ) লিমিটেড।

তিনি শুধু কুরিয়ার শিল্পের ভিত্তিই স্থাপন করেননি, বরং সরকারি পর্যায়ে নীতিমালা প্রণয়ন ও লাইসেন্সিং অথরিটি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তাঁর উদ্যোগে গঠিত হয় কুরিয়ার সার্ভিস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ যা আজও এই খাতের মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “লিজেন্ড অব কুরিয়ার” উপাধিতে ভূষিত করে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেছে।

বর্তমানে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস (প্রাঃ) লিমিটেড সারাদেশে অবস্থিত দুইশতাধিক নিজস্ব শাখা ও ছয় শতাধিক এজেন্সির মাধ্যমে বছরে ৩৬৫ দিন নিরবচ্ছিন্ন সেবা প্রদান করে আসছে। এমন কি ভয়াবহ করোনা মহামারির সময়ও প্রতিষ্ঠানটি জরুরি ওষুধ, চিকিৎসা সামগ্রী এবং প্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে নিরলসভাবে কাজ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ১) জেনারেল সার্ভিস, ২) এক্সপ্রেস সার্ভিস, ৩) সুপার এক্সপ্রেস সার্ভিস, ৪) নন—ডকুমেন্ট সার্ভিস, ৫) পার্সেল সার্ভিস, ৬) টু—পেসার্ভিস, ৭) কন্ডিশন বুকিং সার্ভিস, ৮) ইন্টারন্যাশনাল সার্ভিস, ৯) সেইমডে ডেলিভারি সার্ভিস এবং ১০) ই—কমার্স সার্ভিসসহ বহুমুখী সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

দেশের বাণিজ্য, ই—কমার্স, কর্মসংস্থান ও শিল্পায়নে অবদান রাখার পাশাপাশি সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস আজও দেশের জনগণের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে কাজ করে চলেছে।