পূর্বাচলে ক্যানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বাংলাদেশের স্থায়ী ক্যাম্পাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

আশার আলো দেখাচ্ছে পূর্বাচলে ক্যানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বাংলাদেশের (সিআইএসবি) স্থায়ী ক্যাম্পাসের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। আজ বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় পূর্বাচলের ৩০০ ফুট এলাকার পুলিশ অফিসার হাউজিং সোসাইটিতে (পিওএইচএস) অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে এই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফিলিস্তিনের হাইকমিশনার ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদান। এছাড়া অনুষ্ঠানে কানাডার নিউ ব্রান্সউইক প্রদেশের বিশেষ প্রতিনিধিদলও অংশগ্রহণ করে। ক্যানাডিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন এবং প্রধান শিক্ষক বেগম শিরীন জাহানের সভাপতিত্ব ও পরিচালনায় দেশের শিক্ষা খাতের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্কুল কর্তৃপক্ষ নতুন ক্যাম্পাসের নান্দনিক নকশা ও সুযোগ-সুবিধার বিস্তারিত তুলে ধরেন। তারা জানান, শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের শিক্ষা ও সর্বাঙ্গীণ বিকাশের বিষয়টি মাথায় রেখেই নতুন এই স্থায়ী ক্যাম্পাসটি ডিজাইন করা হয়েছে। আধুনিক ও প্রযুক্তিসম্পন্ন শ্রেণিকক্ষ, আন্তর্জাতিক মানের বড় সুইমিং পুল, প্রশস্ত খেলার মাঠ, বহুমুখী হলরুম এবং সুসজ্জিত লাইব্রেরিসহ শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সব ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা এখানে নিশ্চিত করা হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যকার সুসম্পর্ক ও অংশীদারিত্বের এটি একটি উজ্জ্বল নিদর্শন। এই ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষায় গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ফিলিস্তিনের হাইকমিশনার ইউসুফ এস. ওয়াই. রমাদানও এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন।

স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্বাচলের এই স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণকাজ শেষ হলে শিক্ষার্থীরা আরও উন্নত ও অনুকূল পরিবেশে বিশ্বমানের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ পাবে। আধুনিক অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাযাত্রায় একটি নতুন ও গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা হলো।