রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া দেশে মাদক কারবার পরিচালনা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। গতকাল শুক্রবার তোপখানা রোডে সিরডাপ মিলনায়তনে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি আয়োজিত ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ : চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।
ইশরাক বলেন, ‘মাদক চোরাচালান, পরিবহন ও স্থানীয় পর্যায়ে বিক্রির সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এমনকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কিছু সদস্যও এতে জড়িয়ে পড়ছেন। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে মাদক কারবার পরিচালনাকারীদের রাজনীতি করার অধিকার নেই।’ একটি জাতীয় গবেষণার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশে আনুমানিক ৮২ লাখ অবৈধ মাদক ব্যবহারকারী রয়েছেন, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ শতাংশ। তাদের উল্লেখযোগ্য একটি অংশ ২৫ বছরের আগেই মাদকে জড়িয়ে পড়ছেন।
নিজ নির্বাচনী এলাকার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ইশরাক বলেন, গে-ারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকায় একসময় মাদকের সাম্রাজ্য গড়ে উঠেছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়াল টপকে সেখানে তরুণ-তরুণীরা মাদক সেবন করতে যেতেন। এ দৃশ্যের ফুটেজ দেখে তিনি মাদকের বিরুদ্ধে মাঠপর্যায়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের জুরাইন রেলগেট থেকে ঘুণ্টিঘর পর্যন্ত এলাকায় স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তা ও ঢাকা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তানভীর আহমেদ রবিনের সঙ্গে সমন্বয় করে মাদকবিরোধী তৎপরতা চালানো হয়েছে। নিরাপদ পরিবেশ তৈরিতে রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।