ডেটা সেন্টারের নাম বদলাল ওপেনএআই

মানুষের ক্ষোভ কমাতে ডেটা সেন্টারের নতুন নাম দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে ওপেনএআই। প্রযুক্তি নিয়ে বিশ^জুড়ে তৈরি হওয়া নেতিবাচক মনোভাব কাটাতে বড় নীতিগত ও জনসংযোগ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা কোম্পানিটি। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ওপেনএআই তাদের এ নতুন উদ্যোগ শুরু করছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, এই নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ বা ‘হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এর নিয়ন্ত্রণ পেতে পারে ডেমোক্র্যাটরা। এই নির্বাচন শেষ হলেই পুরোদমে শুরু হবে ২০২৮ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা।

ক্ষমতা পরিবর্তনের মুখে নিজেদের অবস্থান সুসংহত রাখতেই ওপেনএআইয়ের এই কৌশলগত পদক্ষেপ। ওপেনএআই বা মেটার মতো অন্যান্য শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানি ট্রাম্প প্রশাসনের কাছাকাছি সুবিধা পেলেও রাজনীতিতে ক্ষমতার রদবদল এআই শিল্পের ওপর নতুন কড়াকড়ি ও চাপ তৈরি করতে পারে। ওপেনএআইয়ের এ উদ্যোগের বড় অংশ ডেটা সেন্টার নামের রি-ব্র্যান্ডিং। কোম্পানিটি এখন থেকে একে ‘এআই কম্পিউট ক্যাম্পাস’ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করছে।

নাম পরিবর্তনের এই পদক্ষেপে ওপেনএআই আশা করছে, তারা এসব প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনে যেসব ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে পারবে। ওপেনএআইয়ের চিফ গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স অফিসার ক্রিস লেহেন বলেছেন, ‘স্থানীয় জনগণের উচিত কোম্পানিগুলোকে জবাবদিহির আওতায় রাখা, যাতে তারা সত্যিই এসব প্রকল্প থেকে সুফল পেতে পারে।’

রি-ব্র্যান্ডিং নিয়ে কিছুটা বিতর্ক তৈরি হতে পারে জেনেও এই পথ বেছে নিয়েছে ওপেনএআই। সিদ্ধান্তটি অন্তত মানুষকে ডেটা সেন্টারের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ থেকে নজর সরাতে সাহায্য করবে। বড় বড় সার্ভার কোম্পানিগুলো মাত্রাতিরিক্ত শব্দ তৈরি, স্থানীয় পরিবেশ বিঘিœত ও অনেক পরিমাণে পানি ব্যবহার করে, এমন সব অভিযোগ দীর্ঘদিনের।