চাল কেনায় আগ্রহ বেশি খাদ্য বিভাগের

সরকারি গুদামে নতুন খাদ্যশস্য রাখার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকলেও বড় পরিসরে চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটি (এফপিএমসি)। ৫ লাখ টন সিদ্ধ চাল ও ৫০ হাজার টন আতপ মিলিয়ে মোট সাড়ে ৫ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এই কমিটির সভায়। একইসঙ্গে কেনা হবে ৩ লাখ টন ধান। খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম আমন মৌসুমের ধান-চাল কেনার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

গতকাল রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এফপিএমসির সভার বিস্তারিত তুলে ধরেন খাদ্যমন্ত্রী। এ সময় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খান এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহাবুব রহমান উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, এ বছর প্রতি কেজি সিদ্ধ চালের দাম গত বছরের তুলনায় এক টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯ টাকা এবং আতপ চালের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ টাকা। তবে বাড়ানো হয়েছে ধানের দাম। প্রতি কেজি ধান এবারে এক টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ টাকা।

এফপিএমসি সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত চলবে। অন্যদিকে, চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১ ডিসেম্বর থেকে এবং চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত।

গত বছর আমন মৌসুমে রেকর্ড ৯ লাখ টন চাল এবং এক লাখ ৫৩ হাজার টন ধান কেনা হয়। যা ছিল লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। এ সময় সাড়ে ছয় লাখ টন চাল ও ৫০ হাজার টন ধান কেনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল।

আফরোজা খানম বলেন, কৃষকের উৎপাদন খরচের সঙ্গে ন্যায্য লভ্যাংশ যুক্ত করেই ধানের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনোভাবেই যেন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।