এই খাবারগুলো ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে|110910|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৫:১১
এই খাবারগুলো ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে
অনলাইন ডেস্ক

এই খাবারগুলো ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে

অনেকে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য ডায়েট মেনে চলেন। কেউ কেউ কম খেতে পছন্দ করেন। এতে খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই খিদে লেগে যায়। পরবর্তীতে অনেক সময় বেশি খাওয়া হয়। এমন কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো খেলে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা থাকবে। পাশাপাশি ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

ওটস: ওয়েট ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞদের মতে, আধা কাপ ওটস-এ ৫ গ্রাম আঁশ থাকে। এটি হজমে দীর্ঘ সময় নেয়। ওটমিল ক্ষুধা নিয়ন্ত্রক হরমোন কোলেসিসটোকিনিন বৃদ্ধি করে।

অ্যাভাকোডা: নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, দুপুরের খাবারের সঙ্গে অর্ধেক অ্যাভাকোডা খেলে বিকেল পর্যন্ত পেট ভরা থাকতে সাহায্য করবে। একটি অ্যাভাকোডাতে ৪ গ্রাম প্রোটিন রয়েছে। উচ্চমাত্রায় প্রোটিনসমৃদ্ধ ফলগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।

বাদাম: এতে উচ্চমাত্রায় স্বাস্থ্যকর অসম্পৃক্ত চর্বিসহ প্রোটিন ও আঁশ রয়েছে যা ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাদ্যতালিকায় থাকা কম ক্যালোরিসমৃদ্ধ বাদাম বিশেষ করে কাজু বাদাম ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

আপেল: গবেষণায় দেখা গেছে, আপেলের খোসায় থাকা আরসোলিক অ্যাসিড ওজন কমাতে সাহায্য করে। এতে থাকা পেকটিন উপাদান ব্লাডসুগার নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এতে আঁশ ও পানি রয়েছে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে একটি আপেল খেলে পেট অনেকটা ভরা থাকে। এতে মূল খাবার কম খাওয়া হয়।

ডিম: উচ্চমাত্রায় প্রোটিন সমৃদ্ধ এই খাবারে পরিমাণে কম ক্যালোরি থাকে। সকালের নাশতায় ডিম খেলে সারাদিন পেট ভর্তি থাকে। এতে প্রয়োজনীয় সব অ্যামিনো অ্যাসিড, প্রয়োজনীয় ভিটামিন (ভিটামিন ‘সি’ বাদে) ও খনিজ উপাদান রয়েছে।

শশা: শশা খেলে পেট পরিষ্কার রাখে এবং ওজন কমায়। এতে সমৃদ্ধ আঁশ রয়েছে যা পেট ভরা রাখে। শরীর সতেজ রাখার জন্য পানিতে শশা মিশিয়ে খেতে পারেন।

ডার্ক চকোলেট: মিষ্টি জাতীয় কোনোকিছু খাওয়ার ইচ্ছে করলে ডার্ক চকোলেট খেতে পারেন। নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়াবেটিস বিষয়ক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, এটি একইসঙ্গে মিষ্টি ও লবণ জাতীয় খাবার খাওয়ার ইচ্ছা পূরণ করে। ডার্ক চকোলেট রক্তচাপ কমায় এবং হার্ট ও ব্রেইন ভালো রাখে।

তিসির বীজ: এতে থাকা উচ্চমাত্রায় আঁশ, ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড ক্ষুধা দমিয়ে রাখতে বেশ কার্যকরী। এক গ্লাস পানিতে আধা চা চামচ তিসির বীজ মিশিয়ে প্রতিদিন সকালে খেতে পারেন। এছাড়াও সালাদে সামান্য ছিটিয়ে দিতে পারেন। এটি হার্টের জন্য ভালো এবং ক্যান্সার প্রতিরোধ করে, হজমে সহায়ক, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

ডালিম: এতে প্রচুর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট পলিফেনল এবং লিনোলেনিক অ্যাসিড রয়েছে। এগুলো চর্বি কমাতে সাহায্য করে এবং হজমশক্তি বাড়ায়।