বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে তালা, গুলশানে ভাংচুর|111085|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ৮ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২০:৪৮
বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে তালা, গুলশানে ভাংচুর
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির নয়াপল্টন কার্যালয়ে তালা, গুলশানে ভাংচুর

শনিবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ইটপাটকেল ছুড়ে ভাংচুর করে মনোনয়নবঞ্চিতদের সমর্থকরা। ছবি: দেশ রূপান্তর

বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিতদের সমর্থকরা রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় ও গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিক্ষোভ করেছেন। গতকাল শনিবার দুপুরে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা দেন দলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এহছানুল হক মিলনের সমর্থকরা। সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে ইটপাটকেল ছুড়ে ভাংচুর করে বিক্ষুব্ধরা। এসময় ইটের আঘাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদক ও ক্যামেরাম্যান আহত হন।

নয়াপল্টন কার্যালয়ে তালা দেয়ার বিষয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেছেন, খোঁজখবর নিয়েই প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে দলের নীতিনির্ধারকরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

কার্যালয়ের একজন কর্মী দেশ রূপান্তরকে জানান, সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনকে মনোনয়ন না দেওয়ায় দুপুর পৌনে একটার দিকে তার সমর্থকরা প্রধান ফটকে তালা লাগিয়ে দেয়। এসময় তারা ব্যানার টানিয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে চাঁদপুরের কচুয়া থানা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যোগ দেন। মিলনকে মনোনয়ন দিতে ১২ ঘণ্টা সময় দিয়ে পরে তারা তালা খুলে নেন।

মিলনের সমর্থকেদের ভাষ্য, চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন পাওয়া মোশাররফ হোসেন এলাকায় অপরিচিত এবং তৃণমূলের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ নেই। মিলনের মনোনয়ন দাবিতে সংবাদ সম্মেলনও করেন তারা। চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম, যুবদল সভাপতি ও আশরাফপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাসুদ এলাহী এবং ছাত্রদল সভাপতি ইসমাইল হোসেন ও তাদের কর্মীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

গুলশানে ভাংচুর: এদিকে বিকেল থেকে গুলশান কার্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু করে মনোনয়নবঞ্চিত কয়েকজনের সমর্থকরা। সন্ধ্যায় তারা কার্যালয়ের ভেতরে ইটপাটকেল ছোড়ে ও ভাংচুর চালায়। এতে জানালার কাঁচ ভেঙে যায়। উত্তেজিত কর্মী-সমর্থকদের সামাল দিতে হিমশিম খান চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্সের (সিএসএফ) সদস্যরা।

ক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের মধ্যে ছিলেন সেলিমুজ্জামান সেলিমের সমর্থকরা। তারা গোপালগঞ্জ-১ আসনে সেলিমকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এছাড়া শেরপুর-২ আসনে মনোনয়নবঞ্চিত ফাহিম চৌধুরী, চাঁদপুর-১ আসনের এহছানুল হক মিলন, মানিকগঞ্জ-১ আসনের তোজাম্মেল হকের সমর্থকরা বিক্ষোভে অংশ নেন।