নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে হামলা : বিএনপি|111293|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০
নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে হামলা : বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে হামলা : বিএনপি

 

নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই ক্ষমতাসীন দলের লোকজন পরিকল্পিতভাবে ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। হামলার পর তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের সামনে দলের মহাসচিব এ প্রতিক্রিয়া জানান। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, পুলিশের উপস্থিতিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা এই হামলা করেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাটে এই হামলায় বিএনপি মহাসচিব ও তার গাড়ি অক্ষত থাকলেও বহরের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি কয়েকজন সফরসঙ্গী আহত হয়েছেন।

হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের লোকজন পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। কারণ তারা বুঝতে পেরেছেন তারা জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন।’ যে রাজনৈতিক নেতার উসকানিতে এই হামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই এই হামলা। কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিতে দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কারণ বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে।’

হামলার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ঘটনাস্থলে আসামাত্রই তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন ঘটনার অনেক পর ঘটনাস্থলে এসেছে। তাদের উচিত ছিল ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আসা।

বিএনপি মহাসচিবের ব্যক্তিগত সহকারী ও ছাত্রদল নেতা মোহাম্মাদ ইউনুস দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিএনপি মহাসচিবের গাড়ি অক্ষত রয়েছে। তিনি অক্ষত রয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী সামান্য আহত হয়েছে।

হামলার পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান দেশ রূপান্তরকে জানান, শুধু তাদের দলের মহাসচিবের ওপর নয়। হামলার কারণে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের নির্বাচনী প্রচারণা প- হয়ে গেছে।

নেতাকর্মীরা এই হামলা করেছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দানারহাটে এই হামলায় বিএনপি মহাসচিব ও তার গাড়ি অক্ষত থাকলেও বহরের বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি কয়েকজন সফরসঙ্গী আহত হয়েছেন।  হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় সাংবাদিকদের বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘ক্ষমতাসীন দলের লোকজন পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে। কারণ তারা বুঝতে পেরেছেন তারা জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন।’ যে রাজনৈতিক নেতার উসকানিতে এই হামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই এই হামলা। কোনো ধরনের উসকানিতে পা না দিতে দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কারণ বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে থাকবে।’ হামলার বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ঘটনাস্থলে আসামাত্রই তার গাড়িবহরে হামলা হয়েছে। গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন ঘটনার অনেক পর ঘটনাস্থলে এসেছে। তাদের উচিত ছিল ঘটনার সঙ্গে সঙ্গে আসা।

বিএনপি মহাসচিবের ব্যক্তিগত সহকারী ও ছাত্রদল নেতা মোহাম্মাদ ইউনুস দেশ রূপান্তরকে বলেন, বিএনপি মহাসচিবের গাড়ি অক্ষত রয়েছে। তিনি অক্ষত রয়েছেন। এ ঘটনায় বিএনপির কয়েকজন নেতা-কর্মী সামান্য আহত হয়েছে।

হামলার পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নজরুল ইসলাম খান দেশ রূপান্তরকে জানান, শুধু তাদের দলের মহাসচিবের ওপর নয়। হামলার কারণে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের নির্বাচনী প্রচারণা পণ্ড হয়ে গেছে।