সেমিতেই থেমে গেল বাংলাদেশ|111385|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৮:২২
সেমিতেই থেমে গেল বাংলাদেশ
অনলাইন ডেস্ক

সেমিতেই থেমে গেল বাংলাদেশ

ছবি: এসিসির অফিসিয়াল ফেসবুক

ইমার্জিং এশিয়া কাপে আবারো শেষ চারেই থেমে গেল বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরে গেছে নুরুল হাসান সোহানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। নিজেদের মাঠে আগের আসরেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরেই সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কার কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ ইমার্জিং টিম। টস হেরে আগে ব্যাট করে ২৩৭ রান করেছিল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। জবাবে ১০ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আসরের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

ব্যাটিংয়ে শুরুর ধাক্কা সামলে মিজানুর ও ইয়াসির আলির ব্যাটে মোটামুটি লড়াই করার পুঁজি গড়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। বোলিংয়ের শুরুটাও ছিল আশা জাগানিয়া। তবে ঘরের মাঠে ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ এক জয়ই তুলে নেয় শ্রীলঙ্কা।

আগে ব্যাট করতে নেমে ৪১ রানে ৩ উইকেটে হারিয়ে বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক হোসেনকে নিয়ে বিপদ কাটিয়ে ওঠেন ওপেনার মিজানুর। মোসাদ্দেক ৩৯ রান করে বিদায় নেন।

ইয়াসির আলিকে নিয়ে এরপর ৫২ রানের জুটি গড়েন মিজানুর। ব্যক্তিগত ৭২ রান করে রান আউট হয়ে ফেরেন মিজানুর। তার ৯৫ বলের ইনিংসে ছিল ৭ চার ও ১ ছক্কা।

মিজানুর যখন বিদায় নিলেন বাংলাদেশের স্কোর তখন ৩৭.২ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫৮। আফিফ হোসেনকে নিয়ে এরপর ৪২ রান যোগ করেন ইয়াসির। কিন্তু আফিফও দুর্ভাগ্যজনক রানআউটের শিকার হন। ১৪ রান করেন এই ব্যাটার।

লোয়ার অর্ডারে এরপর বাংলাদেশ দ্রুত উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায়। করুনারত্নের শিকার হওয়ার আগে ইয়াসির খেলেন ৬৬ রানের ইনিংস। ৭২ বলের ইনিংসে তিনি হাঁকান ৩ চার ও ১ ছক্কা।

লঙ্কানদের পক্ষে চামিকা করুনারত্নে সর্বাধিক ৪ উইকেট নেন।

জবাব দিতে নামা লঙ্কানদের শুরুতেই ধাক্কা দেন পেসার শফিউল ইসলাম। শূন্য রানেই ফিরিয়ে দেন ওপেনার হাসিথাকে। লঙ্কান স্কোর বোর্ডে রান তখন কেবল ৩।

আরেক ওপেনার সান্দান ওয়েরাক্কোডি ও অভিশকা ফার্নান্দো ৪৩ রানের জুটি গড়েন। ৭ রান করা ফার্নান্দোকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন নাঈম হাসান।

১৩ রানের ব্যবধানে ওয়েরাক্কোডি আফিফ হোসেনের বলে নুরুল হাসান সোহানের গ্লাভসে ক্যাচ দেন। ৪৭ রান করেন এই বাঁহাতি। ৫৯ রানে ৩ উইকেট হারায় লঙ্কানরা।

বাংলাদেশ তখন ভালোভাবেই ম্যাচে। কিন্তু ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নামা কামিন্দু মেন্ডিস বাংলাদেশকে শুধু হতাশাই উপহার দিয়েছেন। অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংস খেলে দলকে ফাইনালে নিয়ে যান জাতীয় দলের জার্সিতে একমাত্র টি-টুয়েন্টি খেলা এই ব্যাটসম্যান।

কামিন্দু তার ৯১ রানের ইনিংসটি খেলেছেন ৮৮ বলে। ৯টি চারে সাজান তার ইনিংস। তাকে ভালো সঙ্গ দিয়েছেন পাঁচ নম্বরে নামা শেহান জয়াসুরিয়া। অবস্ট্রাকটিং দ্য ফিল্ড হয়ে ফেরার আগে ৩৯ রানের ইনিংস খেলেন এই ব্যাটসম্যান।

অ্যাসেলা গুনারত্নের ২৪ রানও ছিল দারুণ কার্যকরী। আট নম্বরে নামা চামিকা করুনারত্নকে নিয়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন মেন্ডিস। চামিকা ৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।

বাংলাদেশের পক্ষে শরিফুল সর্বাধিক ২ উইকেট নিয়েছেন। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন শফিউল, নাঈম ও আফিফ।