চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ৫টি নির্বাচনী অফিসে হামলা-অগ্নিসংযোগ|111428|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৮ ১৩:৩১
চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ৫টি নির্বাচনী অফিসে হামলা-অগ্নিসংযোগ
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি


চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির ৫টি নির্বাচনী অফিসে হামলা-অগ্নিসংযোগ

চুয়াডাঙ্গা- ২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী অফিস আগুনে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। ছবি: দেশ রূপান্তর

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী মাহমুদ হাসান খাঁন বাবুর প্রধান নির্বাচনী অফিসসহ পাঁচটি অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত জীবননগর উপজেলার পাঁচটি স্থানে এ ঘটনা ঘটে। এতে দুইটি মোটরসাইকেলসহ বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচন সংক্রান্ত জরুরি কাগজপত্র পুড়ে ভস্মীভূত হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মাহমুদ হাসান খাঁন বাবুর জীবননগর উপজেলা শহরের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে ১০/১৫ জনের অজ্ঞাত একটি দুর্বৃত্ত দল হামলা চালায়। তারা অফিসটিতে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ সময় অফিসের ভেতরে থাকা দুইটি মোটরসাইকেল, ২টি টিভি, প্রায় দুই শতাধিক চেয়ার ও নির্বাচনী জরুরি কাগজপত্র পুড়ে ভস্মীভূত হয়।

জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আক্তারুজ্জামান জানান, শুধু তাদের প্রধান নির্বাচনী অফিস নয়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে শুক্রবার ভোররাত পর্যন্ত উপজেলা শহরের ৩নং ওয়ার্ড, ৫ ও ৮নং ওয়ার্ডসহ পিয়ারাতলা মোড়ে তাদের নির্বাচনী অফিসগুলোতে ধারাবাহিকভাবে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

এসব ঘটনায় ২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থীর লোকজন জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন জীবননগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন খাঁন।

তিনি দাবি করেন, প্রচারণা শুরুর প্রথম দিন থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ধারাবাহিকভাবে আমাদের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর, দলীয় নেতাকর্মীদের উপর হামলা হুমকি-ধামকি অব্যাহত রেখেছে।

চুয়াডাঙ্গা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদ হাসান খাঁন বাবু জানান, তার নির্বাচনী এলাকায় সরকারি দলের হামলার কারণে তারা ঠিকমতো নির্বাচনী কাজ করতে পারছেন না।

এসব হামলা, অগ্নিসংযোগের বিবরণ তুলে ধরে শনিবার জেলা রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করবেন বলে তিনি জানান।

জেলা রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক) গোপাল দাস বলেন, “বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হবে। কোনভাবেই নির্বাচনী পরিবেশ বিঘ্নকারীদের ছাড় দেওয়া হবে না।