হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত|111665|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২২:১৫
হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সংগীত

ছায়ানটের ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে ছায়ানট আয়োজন করে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। ‘হাজারো কণ্ঠে দেশগান’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ১৬ই ডিসেম্বর বিকাল পৌনে ৪টায় শুরু হয়। 

জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান এবং ছায়ানটের সহ-সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী ও সাধারণ সম্পাদক লাইসা আহমেদ লিসা। 

এবারের আয়োজনে ছিল ৮টি সম্মেলক গান, সাথে সম্মেলক নৃত্য। গানগুলো হলো- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘আমরা মিলেছি আজ’ ও ‘ব্যর্থ প্রাণের আবর্জনা’, কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ‘চল্ চল্ চল্’ ও ‘সংঘ  শরণ তীর্থযাত্রা’, সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন’, আবদুল করিমের লেখা ‘হেঁইয়োঁরে হেঁইয়োঁ’, মীরাদেব বর্মণের লেখা ‘আমি টাকডুম টাকডুম বাজাই’ এবং আব্দুল লতিফের লেখা ‘লাখো লাখো শহীদের’।
 
একক গান পরিবেশন করেন ডালিয়া নওশিন ও সেমন্তি মঞ্জরী। ডালিয়া নওশিন গেয়ে শোনান- কাজী নজরুল ইসলামের লেখা- ‘এ কী অপরূপ রূপে মা’, সেমন্তি মঞ্জরি গেয়ে শোনান- অতুলপ্রসাদ সেনের লেখা- ‘সবারে বাসরে ভালো’। 

কবি তারিক সুজাতের কবিতা ‘মতিউরকে কি তোমার মনে পড়ে’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন আব্দুস সবুর খান। এসময় আবৃত্তির সাথে সম্মেলন নৃত্য পরিবেশিত হয়। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণ ও বাঙালির পূর্ণাঙ্গ বিজয়ের সময়, ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেলের মাহেন্দ্রক্ষণকে লক্ষ্যে রেখে হাজারো কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন ছায়ানটের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও সর্বস্তরের মানুষ। আগেই জানানো হয়েছিল সবার পোশাক হবে সবুজ রঙের, শিল্পীরা পরবেন লাল রঙের পোশাক। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই লাল-সবুজে ছেয়ে যায় মাঠ। বর্ণিল হয়ে উঠে পুরো আয়োজন।