ওসি মজিদের প্রত্যাহার ও বিচার চেয়ে সিইসিকে চিঠি|111755|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২২:০২
ওসি মজিদের প্রত্যাহার ও বিচার চেয়ে সিইসিকে চিঠি
নোয়াখালী প্রতিনিধি

ওসি মজিদের প্রত্যাহার ও বিচার চেয়ে সিইসিকে চিঠি

গুলিবিদ্ধ বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও নোয়াখালী-১ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। ফাইল ছবি।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল মজিদকে প্রত্যাহার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) চিঠি দেওয়া হয়েছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগে এ চিঠি দেওয়া হয়।

ব্যারিস্টার খোকনের ছেলে ব্যারিস্টার সাকিব মাহবুব রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার কাছে এই চিঠি দেন।

চিঠিতে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারণার সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন ও তার ব্যক্তিগত সহকারী ইকবাল হোসেনসহ একাধিক নেতাকর্মীকে লক্ষ্য করে ছররা গুলি ছোড়েন ওসি আবদুল মজিদ। শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিকেলে নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি সদরে এ ঘটনা ঘটে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী একাংশ) আসনে বিএনপির প্রার্থী মাহবুব উদ্দিন খোকন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক।

নেতাকর্মীদের অবৈধভাবে আটক ও হয়রানি করা হচ্ছে এমন অভিযোগ এনে সিইসির কাছে দেওয়া চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ১৫ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ গণসংযোগ শেষ করার পর পুলিশ তাদের মিছিলের পেছনে অবস্থান নেয়। এরপর সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মজিদসহ একদল পুলিশ সদস্য মিছিলের সামনে এসে অনবরত গুলিবর্ষণ শুরু করেন। ছররা গুলি মাহবুব উদ্দিন খোকনের থুতনিতে বিদ্ধ হয়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে পেছনে ফিরলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মজিদ পুনরায় ছররা গুলি ছোড়ে। এতে তার পিঠে পাঁচটি ও হাতে দুইটি গুলি লাগে। তার ব্যক্তিগত সহকারী ইকবাল হোসেন ও অন্যান্য কর্মী-সমর্থকরা তাকে রক্ষার জন্য এগিয়ে এলে পুলিশ তাদেরও লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে তারা গুরুতর আহত হন। পরে সবাইকে নোয়াখালী সদর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।