গাইবান্ধা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ফজলে রাব্বী মারা গেছেন|112078|Desh Rupantor
logo
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০৯:১৯
গাইবান্ধা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ফজলে রাব্বী মারা গেছেন
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধা-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ফজলে রাব্বী মারা গেছেন

মুরগির রাণীক্ষেত রোগের টিকা আবিষ্কার করে ব্যাপক পরিচিত লাভ করেন ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী। ফাইল ছবি

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় পার্টির (জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে রাজধানী ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান সাবেক এই মন্ত্রী।

ফজলে রাব্বী চৌধুরীর মৃত্যুর বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন তার ভাতিজা রায়হান কবীর চৌধুরী রুপন।

তিনি বলেন, বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে ফজলে রাব্বী চৌধুরী গত এক সপ্তাহ ধরে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সেখানেই বুধবার দিবাগত রাত ২টা ৭ মিনিটে তিনি মারা যান।

জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বৃহস্পতিবার তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে তাকে নিজ জেলার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

ফজলে রাব্বী চৌধুরী জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে পরপর ছয়বার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন। তার বাড়ি পলাশবাড়ী উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের তালুকজামিরা গ্রামে। সর্বশেষ তিনি জাতীয় পার্টির একাংশের (জাফর) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন।

মুরগির রাণীক্ষেত রোগের টিকা আবিষ্কার করে ব্যাপক পরিচিত লাভ করেন ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি তিন ছেলে ও দুই মেয়ের বাবা। তার স্ত্রী গৃহিণী।

ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী ১৯৩৪ সালের ১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। ছয় ভাই ও দুই বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। তার বাবা ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক।

ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। তিনি একটি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ছিলেন।

১৯৮৪ সালে ড. টিআইএম ফজলে রাব্বী চৌধুরী যোগ দেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টিতে। তিনি তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন। ড. ফজলে রাব্বী চৌধুরী ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ভূমিমন্ত্রীসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।